বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ভারতে খাবারের থালায় ‘সিংহম’-এর হানা—কে এই তুকারাম মুন্ধে *** নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১৫০০, কোন দেশের কতজন *** মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়টিকে যেভাবে দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম *** নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন *** ‘মাথার অসুস্থতা’ নিয়ে কেউ এভাবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেয়? আসিফকে রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন *** মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ *** নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের সূত্রপাত যেভাবে *** সাংবাদিককে ‘তৌহিদী জনতা’র নামে চিঠি, ‘আপনার মুভমেন্ট আমরা সব সময় নজর রাখছি’ *** তোষামোদের বক্তব্যে শেখ হাসিনা ও তারেক রহমান দুজনই ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী’ *** অপারেশন সিঁদুরের পর আলোচনায় জে–১০সিই, বাংলাদেশ কেন কিনতে চায় চীনের এই যুদ্ধবিমান

সুখবর এক্সপ্লেইনার

ভারতে খাবারের থালায় ‘সিংহম’-এর হানা—কে এই তুকারাম মুন্ধে

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০১:২২ অপরাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মুম্বাইয়ে এখন খাবারের দোকান বা রেস্তোরাঁর মালিকদের কাছে ‘পরিদর্শন’ শব্দটিই যেন আতঙ্কের। কখন যে সরকারি কর্মকর্তার দল এসে রান্নাঘর, খাবার রাখার ঘর কিংবা ফ্রিজ পরীক্ষা করে, তা কেউ জানে না। কোথাও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার মিলছে। কোথাও পাওয়া যাচ্ছে তেলাপোকা, ইঁদুর বা ছত্রাক। কোথাও আবার খাবার সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অনিয়ম ধরা পড়লে স্থগিত হচ্ছে খাদ্য ব্যবসার অনুমতিপত্র। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানকে বন্ধও করে দেওয়া হচ্ছে।

এই কঠোর অভিযানের কেন্দ্রে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার তুকারাম হারিভাউ মুন্ধে। কঠোর প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে অনেকে ডাকছেন ‘সিংহম’ নামে। বলিউডের জনপ্রিয় ‘সিংহম’ চরিত্রটি যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের প্রতীক, তুকারাম মুন্ধেকেও তেমন একজন কর্মকর্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

গত মে মাসে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার নেতৃত্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার নেতৃত্বে তিন হাজারের বেশি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে বড় আন্তর্জাতিক খাদ্যশৃঙ্খল, স্থানীয় রেস্তোরাঁ, হোটেল, রাস্তার খাবারের দোকান, ক্রিকেট ক্লাব—সবই নজরদারির আওতায় এসেছে। চারটি ডমিনোজ ও একটি পিৎজা হাটের শাখার খাদ্য ব্যবসার অনুমতিপত্রও স্থগিত করা হয়েছে।

রয়টার্স বলেছে, মুম্বাইয়ের একটি ম্যাকডোনাল্ডসের শাখায় তেলাপোকার উপস্থিতি ও পচা খাবারের অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ম্যাকডোনাল্ডস ইন্ডিয়া জানিয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি রয়েছে এবং পরিদর্শনের বিষয়গুলো তারা পর্যালোচনা করছে।

তুকারাম মুন্ধের অভিযান শুধু বড় ব্র্যান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, মুদি দোকান থেকে শুরু করে খাবার সংরক্ষণের গুদামেও অভিযান চালাচ্ছেন তিনি। এসব অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার, পোকামাকড় এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের চিত্র সামনে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে তাকে ‘সিংহম’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও মুন্ধের অভিযানকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছে। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের কয়েকটি পরিচিত খাবারের প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের সময় পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ, খাবার সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অনিয়ম ধরা পড়ে। পারসি ডেইরি ফার্মে ছত্রাকের উপস্থিতি এবং ছত্রাকযুক্ত দেয়ালের কাছে কাঁচামাল রাখার বিষয়ও কর্মকর্তাদের নজরে আসে।

‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মুন্ধের নেতৃত্বে তিন হাজারের বেশি অভিযান হয়েছে। এসব অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং পোকামাকড়ের উপস্থিতির মতো অনিয়ম সামনে এসেছে। তার অভিযান এখন খাবারে ব্যবহৃত খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির দিকেও বিস্তৃত হয়েছে।

এ কারণেই তুকারাম মুন্ধে এখন শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা নন। তিনি হয়ে উঠেছেন জনআলোচনার একটি চরিত্র। গত ৮ আগস্ট পুনের বালগন্ধর্ব রঙ্গমন্দিরে একটি অনুষ্ঠানে তিনি মঞ্চে উঠতেই দর্শকেরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান। অনেকে মুঠোফোন বের করে সেই মুহূর্তের ভিডিও করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘এনডিটিভি’ ও ‘ইন্ডিয়া টুডে’—দুই সংবাদমাধ্যমই এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

‘ইন্ডিয়া টুডে’ জানিয়েছে, তুকারাম মুন্ধের কঠোর অভিযানের পর মুম্বাইসহ মহারাষ্ট্রের প্রায় ১০০টি খাবারের প্রতিষ্ঠানকে অনুমতিপত্র স্থগিতের মুখে পড়তে হয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডের কারণে ভোক্তাদের একটি অংশ তাকে সমর্থন করছে। তবে খাবারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একটি অংশ আবার তার পদ্ধতির সমালোচনা করছে।

মুন্ধের জনপ্রিয়তার পেছনে তার দীর্ঘ প্রশাসনিক ক্যারিয়ারও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ২০০৫ ব্যাচের ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষদের কর্মকর্তা। ২০০৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তিনি সর্বভারতীয় মেধাতালিকায় ২০তম স্থান অর্জন করেন। তার শৈশব কেটেছে মহারাষ্ট্রের খরাপ্রবণ বিড জেলার তাডসোনা গ্রামে। কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছোটবেলায় তাকে পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের কৃষিকাজেও সহায়তা করতে হয়েছে। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ ও ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ তার এই শৈশবের কথা তুলে ধরেছে।

তার কর্মজীবনের আরেকটি আলোচিত দিক হলো ঘন ঘন বদলি। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানিয়েছে, দুই দশকের বেশি সময়ের চাকরিজীবনে মুন্ধের প্রায় ২৫ বার বদলি হয়েছে। জেলা প্রশাসক, পৌর কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সমর্থকদের অনেকে মনে করেন, কঠোর অবস্থানের কারণেই তাকে বারবার বদলি করা হয়েছে। সমালোচকেরা অবশ্য বলেন, তার কাজের ধরনে পরামর্শ ও সমঝোতার জায়গা কম।

মুন্ধের বর্তমান অভিযানকে ঘিরে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ঘটেছে বোম্বে হাইকোর্টে। আদালতে প্রশ্ন উঠেছিল, যদি বেসরকারি খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়, তাহলে সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্যানটিনগুলোও কি একইভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে?

এরপর মহারাষ্ট্র খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের দল হাইকোর্ট চত্বরে থাকা তিনটি ক্যানটিনে অভিযান চালায়। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ জানিয়েছে, একটি ক্যানটিনকে বৈধ খাদ্য নিরাপত্তা অনুমতিপত্র না থাকায় কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্য দুটিকে উন্নতির নোটিশ দেওয়া হয়। পরে মুন্ধে জানান, খাদ্য নিরাপত্তার নিয়ম সবার জন্য একই।

এ ঘটনাকে মুন্ধের প্রশাসনিক পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগগুলোর একটি হলো, তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বেশি চাপ দিচ্ছেন। হাইকোর্টের প্রশ্নের পর সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্যানটিনেও অভিযান চালানো সেই অভিযোগের জবাব দেওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করে।

তবে মুন্ধের অভিযান নিয়ে সমালোচনাও কম নয়। কিছু ব্যবসায়ী মনে করছেন, এত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশোধনের সময় দেওয়া উচিত। কেউ কেউ আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। রয়টার্স জানিয়েছে, একটি মামলায় আদালত মুন্ধের দপ্তরকে পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, একটি খাবারের প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি সংশোধনের পরও তার অনুমতিপত্র স্থগিত রাখা হয়েছিল। মুন্ধে অবশ্য বলেছেন, আদালতের পর্যবেক্ষণকে তার দপ্তর গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

তার অভিযানের প্রভাব ইতিমধ্যে খাবারের ব্যবসায় দেখা যাচ্ছে। রয়টার্স মুম্বাইয়ের ২৫টি রাস্তার খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ ঘুরে দেখেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক ব্যবসায়ী আগেভাগেই নিজেদের পদ্ধতি বদলাচ্ছেন। কেউ কৃত্রিম রং বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করছেন। কেউ দিনে কয়েকবার রান্নার তেল বদলাচ্ছেন। কর্মীদের হাতে দস্তানা ও মাথায় আবরণ ব্যবহারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় খাবার ভাদা পাও-ও মুন্ধের নজর এড়ায়নি। খাবারটি সংবাদপত্রে মুড়িয়ে দেওয়ার প্রচলন বন্ধ করতে জুন মাসে নির্দেশ দেওয়া হয়। এখন অনেক বিক্রেতা পরিষ্কার কাগজে খাবার দিচ্ছেন। এতে ক্রেতাদের মধ্যেও স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মুন্ধের কাজের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ। তার দপ্তর অভিযান শেষে কী পাওয়া গেছে, তা জানাচ্ছে। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে তার বিবরণও প্রকাশ করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ জানতে পারছে, তারা যে খাবারের জন্য টাকা দিচ্ছে, সেটি কীভাবে তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তার বাস্তবতাও এই আলোচনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে প্রতিবছর ভারতে এক লাখের বেশি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর প্রায় ২০ শতাংশ অনিরাপদ, নিম্নমানের অথবা সঠিক পরিচয়বিহীন হিসেবে ধরা পড়েছে। গত তিন বছরে প্রায় আট হাজার খাদ্য ব্যবসার অনুমতিপত্র বাতিল করা হয়েছে।

‘স্ক্রল ডট ইন’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুন্ধের শূন্য সহনশীলতার নীতি খাবারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন সমর্থন তৈরি করেছে, তেমনি আতঙ্কও তৈরি করেছে। মুম্বাইয়ের এক বেকারি মালিক সেখানে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুন্ধের অভিযান ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

তুকারাম মুন্ধে নিজে অবশ্য নিজেকে কোনো নায়ক হিসেবে দেখতে চান না। রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, তিনি তারকা নন; তিনি শুধু খাদ্য নিরাপত্তার কমিশনার। তার বক্তব্য, খাবারের সঙ্গে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের প্রশ্ন জড়িত। তাই নিয়ম না মানলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেটিই নেওয়া হবে।

এই কারণেই তুকারাম মুন্ধের গল্পটি শুধু একজন কঠোর কর্মকর্তার গল্প নয়। এটি ভারতে সরকারি ব্যবস্থার প্রতি মানুষের প্রত্যাশারও একটি প্রতিচ্ছবি। একজন সরকারি কর্মকর্তার নিয়মিত দায়িত্ব পালনের জন্য যখন মানুষ দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায়, তখন তার মধ্যে যেমন কর্মকর্তার প্রতি আস্থা দেখা যায়, তেমনি বোঝা যায় সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কাছ থেকে কতটা কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে। মুন্ধের অভিযান শেষ পর্যন্ত কতটা স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে আপাতত মহারাষ্ট্রের খাবারের জগতে তার নামটিই সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

তুকারাম হারিভাউ মুন্ধে

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ভারতে খাবারের থালায় ‘সিংহম’-এর হানা—কে এই তুকারাম মুন্ধে

🕒 প্রকাশ: ০১:২২ অপরাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১৫০০, কোন দেশের কতজন

🕒 প্রকাশ: ০১:০৫ অপরাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়টিকে যেভাবে দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

নেপালে আকস্মিক বন্যা–ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, এখনো নিখোঁজ ৪০৩ জন

🕒 প্রকাশ: ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্তি: ১৭১০ কোটি ডলার পর্যন্ত জরিমানা দিতে প্রস্তুত মেটা

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৬

Footer Up 970x250