শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর *** আমস্টারডামে ইহুদি স্কুলে বিস্ফোরণ *** ‘জামায়াত-এনসিপি অসভ্যতা করবে, এটাই স্বাভাবিক’ *** হাদি হত্যা: ফয়সালকে পালাতে ‘সাহায্যকারী’ ফিলিপ সাংমা পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার *** নিষেধাজ্ঞা কাটাতে আন্তর্জাতিক তৎপরতা, নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ *** রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা থাকছে না: সড়কমন্ত্রী *** তিন মাস পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর *** হয়তো এখনই নয়, তবে ইরান সরকারের পতন হবেই: ট্রাম্প *** ‘পদত্যাগ ও মেয়াদ পূর্ণ করার কথা—সাহাবুদ্দিন দুটিই বলেন প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতে’ *** সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ‘সাধাসিধা’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এই তরমুজের দাম লাখ টাকা!

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০৫ অপরাহ্ন, ২০শে জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

'বারো মাসে বারো ফল, না খেলে যায় রসাতল’-এই খনার বচন থেকেই ধারণা করা যায় মানুষদের জন্য ফলের গুরুত্ব কতোটা। তবে কিছু কিছু ফল আছে, যেগুলো কিনতে গেলে আপনাকে মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হবে। যেমন জাপানের মিয়াজাকি বা ‘সূর্যডিম’ আম। বলা হয়, এই আম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি। প্রতি কেজি ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়! অতএব বুঝতেই পারছেন, এই আম আমজনতার নয়। শুধু আম নয়, জাপানে লাখ টাকার তরমুজও পাওয়া যায়।

তরমুজটির নাম ডেনসুকে তরমুজ। ২০১৮ সালের এক নিলামে ডেনসুকে তরমুজ প্রতি কেজি ৪ লাখ টাকার বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। আকারভেদে এই তরমুজের দাম এমনই। ৩-৪ লাখ টাকা। ফলটি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন ও জাপানে বেশ পরিচিত। এই তরমুজ প্রধানত জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইডো দ্বীপে চাষ করা হয়। ডেনসুকে তরমুজের ওজন সাধারণত ৫ থেকে ১০ কেজি হয়। চলুন জেনে নিই, কেন এটা এত দামি ফল।

আরো পড়ুন : কোলে শুইয়ে গ্রাহকদের শান্তি দেন সুন্দরীরা, খরচ ৭৮০ টাকা!

ডেনসুকে তরমুজ কী

ডেনসুকে তরমুজ জাপানে উৎপাদিত একটি সুস্বাদু ও বিরল জাতের তরমুজ। ডেনসুকে তরমুজকে জাপানে কালো তরমুজও বলা হয়। কারণ, এর খোসার রং প্রায় কালচে। বীজও থাকে খুব কম। এই তরমুজ বিশেষ কায়দায় চাষ করা হয়। নিরাপত্তার জন্য ডেনসুকে তরমুজ সাধারণত চৌকোনা কার্ডবোর্ড বাক্সে মোড়কজাত করা হয়। তরমুজটি আসল কি না, তা প্রমাণ করার জন্য সঙ্গে সনদও জুড়ে দিতে হয়! তবে এই তরমুজ সাধারণত বিক্রি করা হয় না, নিলামে তোলা হয়। নিলামে যারা বেশি দাম হাঁকেন, তারাই এগুলো কিনতে পারেন।

ডেনসুকে তরমুজ কেন এত দামি?

এই তরমুজের এত দাম হওয়ার একটি কারণ হলো—এটা দুষ্প্রাপ্য। ফলন হয় খুব কম। শুধু হোক্কাইডো দ্বীপেই এই তরমুজ চাষ করা হয়। দ্বীপের অনন্য পরিবেশ এবং খনিজসমৃদ্ধ আগ্নেয়গিরির মাটির কারণে এটা শুধু তোহমা শহরেই ভালো ফলে।

হোক্কাইডোর দ্বীপের কৃষকেরা ভেবেছিলেন, ধান চাষ বাদ দিয়ে নতুন কোন ফসল চাষ করা যায়। সেই চিন্তা থেকে ১৯৮১ সালে তারা এই বিশেষ তরমুজ চাষ করা শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে তরমুজটির পেটেন্ট করা হয়। মূলত চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকা, মিষ্টি স্বাদ, ভিন্ন রং এবং বেশ শ্রমসাধ্য চাষপদ্ধতির কারণে এই তরমুজের দাম এত বেশি।

‘রাজকীয়’ ডেনসুকে

ডেনসুকে তরমুজ লাল ও বেশ রসালো। এবং এর স্বাদ অন্য তরমুজের তুলনায় খুব মিষ্টি। কারণ, এতে বেশি পরিমাণে চিনি থাকে। জাপানে তরমুজকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় এবং ডেনসুকে তরমুজকে তাদের রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চাষ থেকে শুরু করে মোড়কজাত পর্যন্ত রাজকীয় যত্ন পায় এই তরমুজ। যখন এই তরমুজগুলো গাছে থাকে, তখন অনেকবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে এতে কোনো দাগ, বিবর্ণতা, আঘাতের চিহ্ন না থাকে। পাকলে প্রতিটি তরমুজকে চকচকে কালো রঙে পলিশ করা হয় এবং কঠোর গুণগত মান পরীক্ষা করে স্টিকার দেওয়া হয়। সর্বশেষ প্রতিটি তরমুজ আকর্ষণীয় বাক্সে নিলামের জন্য তোলা হয়।

এস/কেবি


ডেনসুকে তরমুজ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250