শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্রিকসে তারেক রহমান বা তার প্রতিনিধি কেউ আসছেন কি না, ভারত জানে না *** আওয়ামী লীগে যে কারণে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিয়ে আলোচনা *** সত্য কথা বলতে হবে, বিএনপির মন্ত্রীদের উদ্দেশে মান্না *** ‘বিএনপি গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করছে’ *** ‘শেখ হাসিনা কেন ব্যর্থ হয়েছেন’ *** সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘বিক্ষোভ গণতন্ত্রের বিষয়, ইসলামি আইনে এর ঠাঁই নেই’ *** নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১২৮০, নিখোঁজ ৫ হাজারের বেশি *** ‘আপা আইতাছে, ডিসেম্বরের আগেই তোরে মাইরা ফেলমু’-বলেই হামলা *** প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারানো ফিরোজা যাচ্ছিলেন মেয়ের বাড়িতে

‘সুপারহিরো’ বাবাকে স্মরণ করল আরউইন পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

স্টিভ আরউইন মেয়ে বিন্দির নামকরণ করেছিলেন তার প্রিয় কুমিরের নামে। ছবি: বিবিসি

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি বন্য প্রাণী সংরক্ষণকর্মী ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব স্টিভ আরউইনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তার মেয়ে বিন্দি আরউইন ও ছেলে রবার্ট আরউইন। ‘ক্রোকোডাইল হান্টার’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত স্টিভ ২০০৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ৪৪ বছর বয়সে মারা যান।

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে পানির নিচে একটি তথ্যচিত্রের শুটিংয়ের সময় একটি স্টিংরে স্টিভের বুকে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বাবার মৃত্যুর সময় বিন্দির বয়স ছিল মাত্র আট বছর। ২০ বছর পর বাবাকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, গত দুই দশক ধরে তিনি পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববাসীকে তার বাবার মৃত্যুতে শোক করতে দেখেছেন। বাবাকে তিনি ‘সুপারহিরো’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

২৮ বছর বয়সী বিন্দি জানান, তিনি সব সময় মনে করতেন, তার বাবার সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার বন্য প্রাণী সংরক্ষণ। কিন্তু এখন তিনি মনে করেন, স্টিভের প্রকৃত উত্তরাধিকার হলো ভালোবাসা—পৃথিবীর প্রতি ও একে অপরের প্রতি ভালোবাসা।

বাবাকে হারানোর পর মা টেরি ও ভাই রবার্টের জীবনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সেটিও তুলে ধরেন বিন্দি। তিনি জানান, তার মা জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষকে হারিয়েছেন আর তিনি ও তার ভাই হারিয়েছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবাকে। শোক কখনো পুরোপুরি চলে যায় না; প্রতিদিনই তারা শোককে সঙ্গে নিয়ে পথ চলেন।

বিন্দি জানান, তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে নানা তথ্যচিত্রে দাদু স্টিভকে দেখে বড় হচ্ছে। স্টিভকে কখনো সামনাসামনি না দেখেও শিশুটি তার ‘কুমির দাদু’র কাছ থেকে ভালোবাসা অনুভব করে।

স্টিভের মৃত্যুর পরও আরউইন পরিবার কুইন্সল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়া জু পরিচালনা করে আসছে। বিন্দির ভাষায়, তার বাবার জীবন ও কাজ এমন গভীর প্রভাব রেখে গেছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ছড়িয়ে পড়বে।

স্টিভের স্ত্রী টেরিও সামাজিক মাধ্যমে স্বামীকে স্মরণ করেন। অন্যদিকে ছেলে রবার্ট শৈশবে বাবার কোলে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করে লেখেন, ‘তোমার উত্তরাধিকার চিরন্তন।’

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় নৃত্য প্রতিযোগিতা ‘ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টারস’-এর বিজয়ী হন রবার্ট। এর এক দশক আগে একই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তার বোন বিন্দি।

স্টিভ আরউইন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250