শুক্রবার, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সত্য কথা বলতে হবে, বিএনপির মন্ত্রীদের উদ্দেশে মান্না *** ‘বিএনপি গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করছে’ *** ‘শেখ হাসিনা কেন ব্যর্থ হয়েছেন’ *** সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘বিক্ষোভ গণতন্ত্রের বিষয়, ইসলামি আইনে এর ঠাঁই নেই’ *** নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১২৮০, নিখোঁজ ৫ হাজারের বেশি *** ‘আপা আইতাছে, ডিসেম্বরের আগেই তোরে মাইরা ফেলমু’-বলেই হামলা *** প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারানো ফিরোজা যাচ্ছিলেন মেয়ের বাড়িতে *** প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু *** বন্দর বিদেশিদের দিলে অর্থনৈতিক লাভ, এর প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেনি: প্রিন্স

সত্য কথা বলতে হবে, বিএনপির মন্ত্রীদের উদ্দেশে মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজনীতিতে ‘চাপাবাজি করার দিন নেই’ মন্তব্য করে সরকারের মন্ত্রী ও বিএনপি নেতাদের হিসাব করে সত্য কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি জোটের শরিক নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, “এখন সত্য কথা বলতে হবে, পোলাইটলি বলতে হবে। দম্ভ দেখানোর সময় এখন না, হ্যাডম দেখানো যাবে না।”

আজ শুক্রবার রাজধানীতে বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন মান্না।

তিনি বলেন, “আবদুস সালাম তালুকদার ছিলেন শান্ত, শিষ্ট, কুল এবং চিন্তা ভাবনা করে পা ফেলতেন, কাজ করতেন। এখন আমাদের দেশে এমন নেতা দরকার। কারণ যেরকম করে বিদ্যুতের দর দিয়ে হুটহাট বলে দিল–ছয় মাস লাগবে, দুই বছর লাগবে। আরেকজন বললেন দুই সপ্তাহ লাগবে। এগুলো এভাবে না বলে খুবই ক্যালকুলেটিভভাবে বলা দরকার এখন।”

মান্নার ভাষ্য, “এখন মানুষ জাজ করে, কমিটমেন্ট থাকতে হবে। শুধু বাতাসে কথা বললে হবে না, গলাবাজি করলেও হবে না।”

জামালপুর সমিতি, ঢাকার আয়োজনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘সালাম তালুকদার: নেতা ও মানুষ’ শিরোনামে এ আলোচনা সভা হয়।

জামালপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম অনুষ্ঠানে বলেন, “ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার কেবল জামালপুর বা বিএনপির নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এ দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের অভিভাবক।

তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে তিনি বটবৃক্ষের মত ছিলেন, যার ছায়াতলে থেকে দেশপ্রেম ও রাজনীতির আসল পাঠ গ্রহণ করেছি। ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে থেকেও কীভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায় এবং মানুষের মন জয় করা যায়, তা সালাম তালুকদার দেখিয়ে গেছেন।”

১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির মহাসচিব ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভাতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালের ২০ আগস্ট হার্টের বাইপাস সার্জারি করানোর জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।

সমিতির সহসভাপতি আফজাল খানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে সমিতির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান, আবু বকর সিদ্দিক, হাসিনুর রহমান চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. হাসানুজ্জাম শিবলী, মেজর (অব.) আব্দুর রব ও ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম আলোচনায় অংশ নেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতির যুগ্মমহাসচিব হুমায়ুন কবীর আকন্দ।

মাহমুদুর রহমান মান্না

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250