শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জার্মানিতে ‘নব্য-নাৎসিদের উত্থান’ দেখে আতঙ্কিত ইউরোপ, বদলে যাচ্ছে কি রাজনীতির সমীকরণ *** প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন সংক্ষিপ্ত হচ্ছে *** প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম *** রাজধানীতে ৪ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন *** দুই দেশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে পলাতক নানকের বিলাসী জীবন *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের বৈঠক রাত ৯টায়: দ্য ওয়াল *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের গুজব, নেপথ্যে কাদের–নানকপন্থীরা? *** দ্য উইকের দাবি: দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল হলো কেন *** শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে ঢাকা, কী বলছে নয়াদিল্লি

সুখবর এক্সপ্লেইনার

সাফল্যের শিখরে থেকেও কেন বিতর্কের কেন্দ্রে আর্জেন্টিনা?

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, ১১ই জুলাই ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

২০২১ সালের ১১ জুলাই ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার ফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ২৮ বছরের শিরোপা-খরা কাটায় আর্জেন্টিনা। সেই জয় শুধু একটি ট্রফি অর্জনের গল্প ছিল না; এটি ছিল একটি মানসিক বাধা ভাঙারও মুহূর্ত। বিশেষ করে লিওনেল মেসির জন্য।

ক্লাব ফুটবলে প্রায় সব বড় সাফল্য অর্জন করেও জাতীয় দলের হয়ে বড় শিরোপা না জেতার কারণে বছরের পর বছর যে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে, সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটে মারাকানার সেই রাতে।

এরপর গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর্জেন্টিনার উত্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২২ সালে ফিনালিসিমা, একই বছরে কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে টানা দ্বিতীয় কোপা আমেরিকার শিরোপা—সব মিলিয়ে লিওনেল স্কালোনির দল নিজেদের আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সফল জাতীয় দলে পরিণত করেছে। চলমান ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এও দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

তবে এই সাফল্যের পাশাপাশি সমানতালে বেড়েছে বিতর্কও। বিশ্ব ফুটবলের খুব কম দলই সাম্প্রতিক সময়ে এমন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে প্রতিটি জয় যেমন প্রশংসিত হয়েছে, তেমনি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। ফলে আর্জেন্টিনা আজ শুধু সফল দলই নয়, বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত দলগুলোরও একটি।

২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে নতুন রূপ দেন। আগের দলগুলোর মতো কেবল ব্যক্তিনির্ভর না থেকে তিনি গড়ে তোলেন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। শক্তিশালী রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ, মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কৌশল বদলের সক্ষমতা—সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনা হয়ে ওঠে অত্যন্ত কার্যকর একটি দল।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত ছিল আর্জেন্টিনা। সৌদি আরবের কাছে কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হারার আগ পর্যন্ত এটি ছিল আন্তর্জাতিক ফুটবলের অন্যতম দীর্ঘ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। সেই পরাজয়ের পরও দলটি ভেঙে পড়েনি। বরং ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতে নেয়। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা (ফিফা) কাতার বিশ্বকাপের সেই ফাইনালকে আধুনিক যুগের সবচেয়ে নাটকীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি (বিবিসি) লিখেছিল, এটি এমন একটি ম্যাচ, যা ফুটবল ইতিহাসে বহু বছর ধরে আলোচিত হবে।

বিশ্বকাপের পরও আর্জেন্টিনার সাফল্যের ধারা থেমে থাকেনি। ২০২৪ সালে তারা কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখে। স্কালোনির অধীনে প্রথম একশর বেশি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়সংখ্যা ৭৮, হার মাত্র ৯টি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন ধারাবাহিকতা খুব কম দলেরই রয়েছে।

ফুটবল ইতিহাসে আধিপত্য বিস্তারকারী জাতীয় দলের তালিকা খুব দীর্ঘ নয়। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরো জিতে ফ্রান্স একটি স্বর্ণযুগের সূচনা করেছিল। এরপর ২০০২ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০০৪ ও ২০০৭ সালের কোপা আমেরিকা জিতে ব্রাজিল নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ২০০৮, ২০১০ ও ২০১২ সালে টানা তিনটি বড় শিরোপা জিতে স্পেন যে আধিপত্য দেখিয়েছিল, সেটিকে অনেকেই আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা সময় হিসেবে বিবেচনা করেন।

এখন সেই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে আর্জেন্টিনার নাম। ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক ও ইএসপিএন-এর একাধিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা শুধু শিরোপা জেতেনি, বরং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেদের আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক দলে পরিণত করেছে।

এই সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন লিওনেল মেসি। একসময় তার সবচেয়ে বড় সমালোচনা ছিল জাতীয় দলের হয়ে বড় শিরোপা না জেতা। বার্সেলোনার হয়ে অসংখ্য সাফল্য পেলেও আর্জেন্টিনার হয়ে ব্যর্থতার কারণে তাকে প্রায়ই তুলনার মুখে পড়তে হতো দিয়েগো ম্যারাডোনা, পেলে কিংবা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে।

কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই চিত্র বদলে গেছে। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ—আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রায় সব বড় শিরোপাই এখন তার অর্জনের তালিকায়। বিশ্বকাপে গোল, অ্যাসিস্ট এবং ম্যাচসেরা হওয়ার একাধিক রেকর্ডও তার দখলে।

রয়টার্স কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর এক বিশ্লেষণে লিখেছিল, এই সাফল্য মেসির ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিয়েছে এবং সর্বকালের সেরা ফুটবলার নিয়ে বিতর্কে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। একই ধরনের মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান, যেখানে বলা হয়েছে, জাতীয় দলের হয়ে অর্জনগুলো মেসির ফুটবল-ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তবে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, সতীর্থদের সঙ্গে মেসির সম্পর্কও বিশেষভাবে আলোচিত। দলের অনেক খেলোয়াড় প্রকাশ্যেই বলেছেন, তারা অধিনায়কের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত থাকেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোনো তারকাকে ঘিরে এমন পারস্পরিক আস্থা ও নিবেদন খুব বেশি দেখা যায় না। কিন্তু যত সাফল্য এসেছে, ততই বেড়েছে সমালোচনাও।

এর অন্যতম কারণ বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতা। একসময় আন্তর্জাতিক ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করা ব্রাজিল নিজেদের সেরা ছন্দে নেই। পর্তুগালও প্রত্যাশিত ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি। ফলে বর্তমান সময়ে আর্জেন্টিনা হয়ে উঠেছে সেই দল, যাকে হারানোই অন্যদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চলমান বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসির একটি কঠিন ট্যাকলের পরও কার্ড না দেখানো এবং মিশরের বিপক্ষে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। ম্যাচ শেষে মিশরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফও প্রকাশ্যে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তবে ফিফার রেফারিং বিভাগ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থাটির বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট ম্যাচগুলোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) আইন অনুযায়ীই নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পেয়েছে—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণও প্রকাশিত হয়নি। তবু বিতর্কের পেছনে ইতিহাসও একটি বড় কারণ।

১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। তবে সামরিক শাসক হোর্হে রাফায়েল ভিদেলার আমলে আয়োজিত সেই বিশ্বকাপকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ বহু বছর ধরেই আলোচিত। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আবার ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েগো ম্যারাডোনার 'হ্যান্ড অব গড' গোল আজও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বিতর্কিত মুহূর্তগুলোর একটি। একই ম্যাচে তার করা অবিশ্বাস্য একক গোলটি অবশ্য ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবেই স্বীকৃত।

সাম্প্রতিক সময়েও বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা পাঁচটি পেনাল্টি পেয়েছিল, যা এক আসরে কোনো দলের সর্বোচ্চ পেনাল্টি পাওয়ার রেকর্ডের সমান। এরপর থেকেই সমালোচকদের একটি অংশ প্রশ্ন তুলেছিল, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলটি কি অতিরিক্ত সুবিধা পেয়েছে?

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের যুক্তি, প্রতিটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর প্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছিল। ফলে নিয়মবহির্ভূত কোনো সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল না।

বাস্তবতা হলো, সাফল্য যত বড় হয়, বিতর্কও তত বেশি অনুসরণ করে। ইতিহাসে ব্রাজিল, স্পেন কিংবা ফ্রান্স—প্রতিটি আধিপত্য বিস্তারকারী দলই কোনো না কোনো সময়ে একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে।

আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে গত পাঁচ বছরের পারফরম্যান্স বিচার করলে দলটির সাফল্যকে শুধু কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন। স্কালোনির কৌশল, খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা, শক্তিশালী রক্ষণ, কার্যকর মাঝমাঠ এবং চাপের মুহূর্তে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার সক্ষমতাই তাদের সাফল্যের মূল ভিত্তি।

২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার যাত্রা কোথায় গিয়ে শেষ হবে, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় নিয়ে দ্বিমত থাকার সুযোগ কম—বর্তমান প্রজন্মের আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর্জেন্টিনা নিজেদের একটি বিশেষ অবস্থান তৈরি করেছে। তাদের সাফল্য যেমন প্রশংসিত হচ্ছে, তেমনি প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণও করা হচ্ছে।

ইতিহাস অবশ্য শেষ পর্যন্ত বিতর্ক নয়, অর্জনকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। আর সেই ইতিহাসে নিজের জায়গা আরও দৃঢ় করার সুযোগ এখনো আর্জেন্টিনার সামনে খোলা রয়েছে।

আর্জেন্টিনা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

জার্মানিতে ‘নব্য-নাৎসিদের উত্থান’ দেখে আতঙ্কিত ইউরোপ, বদলে যাচ্ছে কি রাজনীতির সমীকরণ

🕒 প্রকাশ: ০২:২২ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাহাড়ের আত্মকথা ও মূলধারার সেতুবন্ধন: ‘নির্বাচিত নাটক: মৃত্তিকা চাকমা’

🕒 প্রকাশ: ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন সংক্ষিপ্ত হচ্ছে

🕒 প্রকাশ: ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম

🕒 প্রকাশ: ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে ৪ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন

🕒 প্রকাশ: ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250