বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩১শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি’ শিরোনামে যে দাবি করলেন বিতর্কিত আসিফ নজরুল *** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য দায়ী আসিফ নজরুল ও অন্তর্বর্তী সরকার: তদন্ত কমিটি *** সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করল সমকাল *** কেন দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন এড়িয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনে যাচ্ছেন তারেক রহমান *** আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তড়িগড়ি করে রায়, উদ্বেগ নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের *** সাদ্দাম আমলের গোয়েন্দা কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে কীভাবে ঢুকলেন, গ্রেপ্তারের পর যে প্রশ্নগুলো সামনে *** ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী *** মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিলেন ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা *** ব্রিকসে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপের দাবি, নীরব ঢাকা *** ‘অভূতপূর্ব বাক্‌স্বাধীনতা’র দাবি মাহদী আমিনের, হয়রানির তথ্য তুলে ধরল টিআইবি

চ্যাপ্টা শরীর, বাদুড়ের মতো পাখনা, কুয়াকাটায় ধরা পড়া বিরল মাছটির নাম কী

শুভ্র বড়ুয়া

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাপ্টা শরীর, প্রায় গোলাকার আকৃতি। পিঠ ও পেটের পাখনাও বেশ প্রশস্ত। দেখতে অনেকটা বাদুড়ের মতো। এমনই ব্যতিক্রমী আকৃতির একটি সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে। স্থানীয়ভাবে মাছটি ‘কিং চান্দা’ নামে পরিচিত। তবে মাছটির বৈজ্ঞানিক পরিচয় নিয়ে স্থানীয় গবেষকেরা বলছেন, এটি ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’ প্রজাতির মাছ হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে মাছটি লংফিন ব্যাটফিশ বা টেইরা ব্যাটফিশ নামে পরিচিত।

আজ সোমবার দুপুরে তিন কেজি ওজনের মাছটি কুয়াকাটার ‘রিপন ফিস’ নামের একটি আড়তে বিক্রির জন্য আনা হয়। পরে ‘আল-আমিন ফিস বারবিকিউ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান তাদের দোকানের জন্য মাছটি প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে মোট ২ হাজার ২৫০ টাকায় কিনে নেয়।

মাছটি আড়তে আসার পর এর অস্বাভাবিক আকৃতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। চ্যাপ্টা ও প্রায় গোলাকার শরীরের পাশাপাশি পিঠ ও পেটের পাখনা তুলনামূলক প্রশস্ত হওয়ায় এটি দেখতে অন্য সামুদ্রিক মাছের চেয়ে বেশ আলাদা। স্থানীয় জেলেদের অনেকেরই বক্তব্য, এ ধরনের মাছ তারা নিয়মিত দেখেন না।

কুয়াকাটার স্থানীয় জেলে জামাল মুঠোফোনে সুখবর ডটকমকে বলেন, ‘সাগরে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। তবে এ ধরনের চ্যাপ্টা ও বাদুড়ের মতো দেখতে মাছ সচরাচর দেখা যায় না।’ আরেক জেলে আব্দুর রহিম বলেন, ‘এই মাছটির আকৃতি অন্য মাছের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এর আগে এমন মাছ খুব কমই দেখেছি।’

মৎস্য ব্যবসায়ী কামাল ব্যাপারী জানান, মাছটির অস্বাভাবিক আকৃতি ও ব্যতিক্রমী গড়নের কারণে বাজারে আসার পর ক্রেতা ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান মুঠোফোনে সুখবর ডটকমকে বলেন, মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’। এটি সামুদ্রিক পরিবেশে বসবাসকারী ব্যাটফিশ বা বাদুড় মাছের একটি প্রজাতি। আন্তর্জাতিকভাবে এটি লংফিন ব্যাটফিশ বা টেইরা ব্যাটফিশ নামে পরিচিত।

তবে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী সতর্ক করে বলেছেন, প্লাট্যাক্স ধরনের মাছ সামুদ্রিক পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও কুয়াকাটা উপকূলে ধরা পড়া মাছটি নিশ্চিতভাবে প্লাট্যাক্স টেইরা কি না, তা ছবি ও নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ মেরিন বায়োডাইভার্সিটি পোর্টালের তথ্যেও ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’ প্রজাতির উপস্থিতির কথা উল্লেখ রয়েছে। সেখানে মাছটির স্থানীয় বা বাংলা নাম হিসেবে ‘কুলা মাছ’ ও ‘তিয়েরা মাছ’-এর উল্লেখ আছে। পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রবালপ্রাচীরের সামুদ্রিক পরিবেশে এ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এর অর্থ হলো, কুয়াকাটার কাছে এমন একটি মাছ ধরা পড়ার ঘটনা একেবারে অসম্ভব নয়, যদিও নির্দিষ্ট নমুনাটি কোন প্রজাতির তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মাছবিষয়ক আন্তর্জাতিক তথ্যভান্ডার ফিশবেসেও ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’কে লংফিন ব্যাটফিশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিশবেসের বর্ণনা অনুযায়ী, এই মাছ মূলত সামুদ্রিক ও প্রবালপ্রাচীর-সংলগ্ন পরিবেশে থাকে। সাধারণত ৩ থেকে ২৫ মিটার গভীরতায় এদের দেখা যায়। প্রজাতিটির বিস্তৃতি ভারত মহাসাগর থেকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। লোহিত সাগর ও পূর্ব আফ্রিকা থেকে শুরু করে পাপুয়া নিউগিনি, উত্তরে রিউকিউ দ্বীপপুঞ্জ এবং দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত এর বিস্তৃতি রয়েছে। সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হওয়ার তথ্যও রয়েছে।

মাছটির চেহারার সঙ্গেও কুয়াকাটায় ধরা পড়া মাছটির বর্ণনার মিল রয়েছে। জাপানের জাতীয় প্রকৃতি ও বিজ্ঞান জাদুঘরের সামুদ্রিক মাছবিষয়ক তথ্যভান্ডারে ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র শরীরকে প্রায় গোলাকার ও শক্তভাবে চ্যাপ্টা বলা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক মাছের পিঠ ও পেটের পাখনা তুলনামূলকভাবে প্রশস্ত। শরীর সাধারণত হলদেটে-রুপালি বা ধূসর ধরনের এবং এতে কালো দাগ বা কালচে রেখা থাকে।

অস্ট্রেলিয়ার জাদুঘরের তথ্যেও মাছটির আরেকটি পরিচিত নাম ‘রাউন্ডফেস ব্যাটফিশ’ বা গোলমুখো বাদুড় মাছ। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, মাছটির শরীরের নিচের অংশে একটি গাঢ় দাগ এবং পেটের পাখনার গোড়ার কাছাকাছি আরেকটি লম্বা গাঢ় দাগ দেখা যায়। প্রজাতিটি সর্বোচ্চ প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

অর্থাৎ, কুয়াকাটায় ধরা মাছটির ‘চ্যাপ্টা’, ‘প্রায় গোলাকার’ এবং ‘বাদুড়ের মতো পাখনা’—এই তিনটি বৈশিষ্ট্য ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র বৈজ্ঞানিক বর্ণনার সঙ্গে যথেষ্ট সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে শুধু বাহ্যিক আকৃতির মিলের ভিত্তিতে কোনো মাছের প্রজাতি শতভাগ নিশ্চিত করা যায় না। এ কারণেই জেলা মৎস্য কর্মকর্তাও ছবি ও নমুনা পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

বাংলাদেশের মেরিন বায়োডাইভার্সিটি পোর্টালে প্রজাতিটির আবাস হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রবালপ্রাচীরের পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে বাংলাদেশের নমুনার জিনগত শনাক্তকরণের তথ্যও সংরক্ষিত আছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র উপস্থিতি শুধু স্থানীয় জেলেদের বর্ণনা নয়, জীববৈচিত্র্যসংক্রান্ত নথিতেও রয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রজাতিটি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। চলতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় মেক্সিকোর গুয়েরেরো অঞ্চলের জিহুয়াতানেহো উপসাগরে ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র নতুন উপস্থিতির তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। গবেষকেরা সেখানে কিশোর ও অপেক্ষাকৃত কম বয়সী মাছের উপস্থিতি পেয়েছেন। তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, প্রজাতিটির বিস্তৃতি আগের ধারণার চেয়েও পরিবর্তনশীল হতে পারে এবং নতুন এলাকায় এর উপস্থিতি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।

আবার ২০২৬ সালের আরেকটি গবেষণায় লিবিয়ার জলসীমায় ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র প্রথম পর্যবেক্ষণের কথা জানানো হয়েছে। গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, লোহিত সাগর ও ভারত-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই মাছের ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এসব তথ্য থেকে বোঝা যায়, মাছটির বিস্তৃতি ও বিচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গবেষণা চলছে।

মাছটির নামের মধ্যেও এর আকৃতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ফিশবেসের তথ্য অনুযায়ী, ‘প্লাট্যাক্স’ শব্দটি গ্রিক ‘প্ল্যাটিস’ শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ চ্যাপ্টা। প্রজাতিটির শরীরের আকৃতির সঙ্গে এই নামের সম্পর্ক রয়েছে।

কুয়াকাটায় ধরা পড়া মাছটির স্থানীয় নাম ‘কিং চান্দা’ হলেও বাংলাদেশ মেরিন বায়োডাইভার্সিটি পোর্টালে একই বৈজ্ঞানিক প্রজাতির বাংলা নাম হিসেবে ‘কুলা মাছ’ ও ‘তিয়েরা মাছ’ উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে এর প্রচলিত নাম লংফিন ব্যাটফিশ, টেইরা ব্যাটফিশ, লংফিন স্পেডফিশ এবং রাউন্ডফেস ব্যাটফিশ।

এ ধরনের মাছ সাধারণত প্রবালপ্রাচীর ও উপকূলসংলগ্ন সামুদ্রিক পরিবেশে বিচরণ করে। ফিশবেসের তথ্য অনুযায়ী, এটি ভারত-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি সামুদ্রিক মাছ। ফলে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরীয় এলাকায় এর উপস্থিতি ভৌগোলিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে কুয়াকাটার উপকূল থেকে ধরা পড়া নির্দিষ্ট মাছটি সেন্ট মার্টিনে নথিভুক্ত একই প্রজাতির কি না, সেটি নিশ্চিত করতে নমুনাভিত্তিক পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

কুয়াকাটায় তিন কেজি ওজনের মাছটি আড়তে আসার পর স্থানীয়দের কৌতূহলের বিষয় হয়ে ওঠার পেছনে তাই শুধু এর অস্বাভাবিক চেহারা নয়, এর সম্ভাব্য বৈজ্ঞানিক পরিচয়ও গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে জেলেদের কাছে এটি বিরল আকৃতির মাছ, অন্যদিকে গবেষকদের কাছে এটি বাংলাদেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির সম্ভাব্য নমুনা।

তবে স্থানীয়ভাবে ‘বিরল’ বলা হলেও বৈজ্ঞানিক অর্থে মাছটিকে বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রজাতি বলা যাবে না। কারণ বাংলাদেশ মেরিন বায়োডাইভার্সিটি পোর্টালে ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’র উপস্থিতি আগে থেকেই নথিভুক্ত রয়েছে এবং সেন্ট মার্টিনের প্রবালপ্রাচীরের পরিবেশে এদের পাওয়া যাওয়ার তথ্য রয়েছে।

এখন মূল প্রশ্ন হলো, কুয়াকাটার কাছে ধরা পড়া মাছটি সত্যিই ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’ কি না। গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান এটিকে ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’ হিসেবে শনাক্ত করেছেন। অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী ছবি ও নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তাই চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণের আগে এটিকে ‘সম্ভাব্য প্লাট্যাক্স টেইরা’ হিসেবে উল্লেখ করাই সতর্ক ও যুক্তিসংগত।

কুয়াকাটার জেলেদের জালে এমন মাছ ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। কারণ বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় জলসীমায় কোন প্রজাতির মাছ কোথায় এবং কী পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে, তার ধারাবাহিক তথ্য সংরক্ষণ সামুদ্রিক পরিবেশের পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রবালপ্রাচীরনির্ভর মাছ উপকূলের অন্য এলাকায় ধরা পড়লে সেটিও গবেষণার বিষয় হতে পারে।

তিন কেজি ওজনের সেই মাছটি শেষ পর্যন্ত স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে ২ হাজার ২৫০ টাকায় কিনে নিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে কেনাবেচার এই ঘটনাটির চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে মাছটির বৈজ্ঞানিক পরিচয় ও বাংলাদেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে এর অবস্থান। চ্যাপ্টা, প্রায় গোলাকার শরীর আর প্রশস্ত পাখনার কারণে বাদুড়ের মতো দেখতে এই মাছটি যদি পরীক্ষায় ‘প্লাট্যাক্স টেইরা’ হিসেবে নিশ্চিত হয়, তাহলে কুয়াকাটায় এর উপস্থিতির এই তথ্য সামুদ্রিক মাছের স্থানীয় বিস্তৃতি ও বিচরণ নিয়ে গবেষণায় নতুন একটি নথি হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই নির্দিষ্ট কুয়াকাটার মাছটির বিষয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন পাইনি। তাই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নামে তথ্য বানিয়ে না দিয়ে ফিশবেস, অস্ট্রেলিয়ার জাদুঘর, জাপানের জাতীয় প্রকৃতি ও বিজ্ঞান জাদুঘর এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক গবেষণা থেকে প্রজাতিটির তথ্য যুক্ত করেছি। এতে প্রতিবেদনটি তথ্যগতভাবে বেশি নিরাপদ থাকবে।

বিরল মাছ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

‘টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি’ শিরোনামে যে দাবি করলেন বিতর্কিত আসিফ নজরুল

🕒 প্রকাশ: ১১:০৬ অপরাহ্ন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য দায়ী আসিফ নজরুল ও অন্তর্বর্তী সরকার: তদন্ত কমিটি

🕒 প্রকাশ: ১০:৪৪ অপরাহ্ন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করল সমকাল

🕒 প্রকাশ: ১০:৩৪ অপরাহ্ন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেন দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন এড়িয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনে যাচ্ছেন তারেক রহমান

🕒 প্রকাশ: ১০:০৫ অপরাহ্ন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তড়িগড়ি করে রায়, উদ্বেগ নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের

🕒 প্রকাশ: ০৯:১৯ অপরাহ্ন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250