বুধবার, ১৪ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের *** শেষ চার মাস মন্ত্রণালয়ে আমাকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি: মাহফুজ আলম *** হাদি-মুছাব্বির-সাম্য হত্যার বিচার হতে হবে এ মাটিতে, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল *** বাহরানে প্রবাসীর বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালট, ব্যবস্থা চায় বিএনপি *** অভ্যুত্থানের পর দেশে আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** পাকিস্তানের ‘দরদ’ দেখানোর প্রয়োজন নেই, বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রসঙ্গে হামিন *** চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেলেন ৯ জুলাই যোদ্ধা *** যে ইস্যুতে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি *** ‘সাংবাদিকদের স্নাতক হওয়ার বাধ্যবাধকতায় সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হবে’ *** বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আসছে

যেভাবে পোশাক আমদানিতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২৫ অপরাহ্ন, ২২শে মার্চ ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের বাজারে দেশীয় পোশাকের প্রাধান্যই বেশি। গত এক দশকে দেশের বড় উদ্যোক্তারাও পোশাকের নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তুলেছেন। তবু ক্রেতাদের চাহিদার কারণে ঈদের আগে প্রতিবছর ভারত ও পাকিস্তান থেকে তৈরি পোশাকের আমদানি বাড়ে।

ঈদের বাজারে যেভাবে দোকানে দোকানে ভারত–পাকিস্তানের পোশাক বেচাকেনা হয়, সে তুলনায় বৈধপথে আমদানি খুবই কম। মূলত ভারত থেকে অবৈধপথে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক আমদানি হয়। অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে লাগেজে করে তৈরি পোশাক আসছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, গত তিন মাসে (ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি) ভারত ও পাকিস্তান থেকে ২২ লাখ ৩৫ হাজার পিস পোশাক আমদানি হয়েছে। গত রোজার আগে একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ২৬ লাখ পিস পোশাক।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। এ দেশের তৈরি পোশাক বিক্রি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকার নামীদামি ব্র্যান্ডের বিক্রয়কেন্দ্রে। দেশেও পোশাকের বড় বড় ব্র্যান্ড গড়ে উঠেছে। দেশীয় এ খাতকে সুরক্ষা দিতে পোশাক আমদানিতে উচ্চ শুল্ক–কর রয়েছে। তবে অবৈধপথে আনা পোশাকে রাজস্ব দিতে হয় না।

দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা ও রাজস্ব বাড়াতে ট্যারিফ কমিশন ১০ই মার্চ এক প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। তারা বলেছে, ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি ও চোরাচালানের মাধ্যমে শাড়ি, টু–পিস, থ্রি–পিস ইত্যাদি পোশাক দেশে আসছে। কারণ, স্থানীয় বাজারে যে পরিমাণ ভারতীয় টু–পিস, থ্রি–পিস, লেহেঙ্গা, জামদানি ও তাঁত শাড়ি বিক্রি হয়, তার তুলনায় বৈধ আমদানি অনেক কম। সংস্থাটি চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো এবং তৈরি পোশাকের আমদানি চালান শতভাগ পরীক্ষার সুপারিশ করেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে দেশীয় উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দিতে ভারত–পাকিস্তান থেকে বৈধভাবে তৈরি পোশাক আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। সেটি হলে সরকারের রাজস্বও বাড়বে।

আরএইচ/এইচ.এস


বৈধ পোশাক আমদানি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250