শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’ *** গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব *** এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত *** গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব *** আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না, এটা মাস্তানি হচ্ছে: বদিউর রহমান *** যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত মানচিত্রে পুরো কাশ্মীর ভারতের অংশ! *** এপস্টেইনের কাছে ‘লম্বা, স্বর্ণকেশী সুইডিশ তরুণী’ চেয়েছিলেন আম্বানি *** মোসাদের চর ছিলেন জেফরি এপস্টেইন, জানা গেল এফবিআই নথিতে *** ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি না করতে অনুরোধ বিএনপি প্রার্থীর *** নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা: রাষ্ট্রের দায় ও গণতন্ত্রের বাস্তব পরীক্ষা

কমলা চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন শিক্ষক দম্পতি

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, ১০ই জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

কমলা চাষে সাড়া ফেলেছেন লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার এক দম্পতি। শিক্ষকতার পাশাপাশি কমলা চাষের সফলতায় গোটা জেলায় পরিচিতি লাভ করেছেন তারা।

শীতের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে নজরকাড়া ছোট বড়ো হলুদ রঙের, মিষ্টি কমলা। মিষ্টি ফলের মৌ মৌ গন্ধ, আর মৌমাছির গুঞ্জন মনকে বিমোহিত করে তোলে। 

জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবী গ্রামের খলিলুর রহমান ও ফাতেমা খাতুন মজুমদার শিক্ষক দম্পতি সমতল ভূমিতে চায়না, নাগপুরি ও দার্জিলিং জাতের কমলা চাষ করে বেশ সফল হয়েছেন। 

খলিলুর রহমান উপজেলার মিলন বাজার মোজাম্মেল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্ত্রী ফাতেমা খাতুন মজুমদার পশ্চিম সারডুবি গ্রামের পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।

জানা গেছে, ১৯৯৫-৯৬ সালের দিকে ওই শিক্ষক দম্পতি শুরু করেন বিভিন্ন গাছের নার্সারি। ২০১১ সালে এক বিঘা জমিতে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা রোপণ করেন।

২০১৫ সালে ১৫২টি গাছে ব্যাপকহারে ফল আসা শুরু করে। কাঙ্ক্ষিত ফল উৎপাদনে তিনি প্রশংসিত হন ও স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে জাতীয় কৃষি পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর থেকে ওই শিক্ষক দম্পতির আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে বাড়ির আশপাশসহ প্রায় এক একর জমিতে কমলার বাগান তৈরি করেন। তিন বছর পর ২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রতিটি গাছে আশানুরূপ ফল এসেছে। বর্তমানে কমলার রং হলুদ আকার ধারণ করেছে। এ পর্যন্ত বাজারে প্রায় লক্ষাধিক টাকার কমলা বিক্রি করেছেন তারা।

খলিলুর রহমান বলেন, আমার স্ত্রী ফাতেমা মজুমদার ২০১১ সালে দার্জিলিং জাতের কমলা বাড়ির সামনে রোপণ করেন। এরপর আমাদের কমলার বাগানের ব্যাপক নাম ছড়িয়ে পড়ে। কমলা বাগান করার তিন বছর পর প্রচুর পরিমাণে কমলা ধরেছে।

আমাদের নিজ পেশার পাশাপাশি কমলা বাগানের ফলের নিজেদের ফলের চাহিদা যেমন পূরণ হচ্ছে, তেমনি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছি।

আরও পড়ুন: ছাদে প্লাস্টিকের বোতলে ধানচাষ, বিস্ময়কর সাফল্য ডা. নাফিসার

ফাতেমা খাতুন মজুমদার বলেন, শখের বসে শিক্ষকতার পাশাপাশি কমলা চাষ করছি। ২০১১ সালে কমলা বাগান করার পর থেকে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেয়েছি। তাদের সহযোগিতায় কমলা বাগানে সফলতা এসেছে আমাদের।

ফল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জেলায় কমলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মূলত আমাদের দেশে কমলা বাইরের দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আমাদের দেশে উৎপাদনকৃত ফলের তেমন কোনো ভ্যাট-ট্যাক্স লাগে না। দেশি ফলগুলো কম দামে বিক্রি করতে পারি। 

এসি/ আই.কে.জে/ 


শিক্ষক দম্পতি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’

🕒 প্রকাশ: ১০:২৪ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব

🕒 প্রকাশ: ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না, এটা মাস্তানি হচ্ছে: বদিউর রহমান

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Footer Up 970x250