শনিবার, ১৭ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কুশীলব জ ই মামুন, বোরহান কবীর? *** ‘সাংবাদিক হিসেবে আমার মন জয় করে নিয়েছেন খালেদা জিয়া’ *** ‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে’ *** খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ‘ইচ্ছাকৃত অবহেলা’ ছিল: এফ এম সিদ্দিকী *** ‘আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ থেকেই যাবে’ *** ‘বিএনপির নেতৃত্বে জোটের টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি’ *** শূকর জবাইয়ে সহায়তা চেয়ে পোস্ট তরুণীর, পরদিনই হাজারো মানুষের ঢল *** ১১ দলীয় জোটে আদর্শের কোনো মিল নেই: মাসুদ কামাল *** খালেদা জিয়া সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন: নূরুল কবীর *** দুই দশক পর ২৬ জানুয়ারি বরিশালে আসছেন তারেক রহমান

শিশুকে বাঁচিয়ে অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রবাসী জহির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

সিঙ্গাপুরের একটি বহুতল ভবনের জানালার বাইরে আটকে থাকা ৩ বছর বয়সি এক শিশুর প্রাণ বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন জহির নামে এক বাংলাদেশি যুবক। এই বীরত্বের জন্য তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ৩৪ বছর বয়সি প্রবাসী জহির সিঙ্গাপুরে লরি চালান। গত ১৭ বছর ধরে এই কাজ করছেন তিনি।

রোববার (২০শে অক্টোবর) ছুটির দিন দুপুরের খাবার কিনতে সাইকেলে করে দোকানে রওনা হন জহির। কাছেই হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এইচডিবি) ব্লকে প্রবেশ করতেই সেখানে মানুষের ভিড় লক্ষ করেন তিনি।

জহির দেখতে পান, একটি ভবনের তিনতলায় জানালার বাইরে দেয়ালের পাশে একটা শিশু দাঁড়িয়ে আছে। যে কোনো মুহূর্তে নিচে পড়ে যেতে পারে শিশুটি। আর পড়লেই নির্ঘাত মৃত্যু। পরিস্থিতি দেখে জহির দৌড়ে চলে যান ওই ভবনের তিনতলার সেই ফ্ল্যাটের মেইন দরজায়। ডোরবেল বাজান, দরজায় ধাক্কা দেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ নেই। ফলে নিচে নেমে আসেন জহির।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলের দিকে ১০০০ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রেখেছে ইরান

এমন সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন তার সহকর্মী সা থু ইয়া অং। মিয়ানমারের নাগরিক সা থুকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি। এমন বীরোচিত কাজের জন্য প্রশংসার পাশাপাশি তাকে পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৫শে অক্টোবর) সিঙ্গাপুরের ইয়িশুনে এসসিডিএফ বিভাগের সদর দপ্তরে তাকে সিঙ্গাপুর সিভিল ডিফেন্স ফোর্স (এসসিডিএফ) কমিউনিটি লাইফসেভার পুরস্কার প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তার আরও এক সহযোগী মিয়ানমারের এক নাগরিককেও পুরস্কার দেওয়া হয়।

জহির বলেন, কোনো বিনিময়ের কথা ভাবিনি। এটা আমার নিজের সন্তানও হতে পারত। আমি আমার ৭ বছর বয়সি ছেলের কথা ভেবে বাচ্চাটিকে বাঁচিয়েছি। তবে এ পুরস্কার পেয়ে খুব সম্মানিত বোধ করছেন জহির। যেসব পরিবারে ছোট বাচ্চা আছে সেসব পরিবারকে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এসি/ আই.কে.জে

প্রবাসী জহির

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250