মঙ্গলবার, ২৪শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইউনূস সরকারকে শেখ হাসিনার ‘দখলদার নাৎসি সরকার’ মন্তব্যে শোরগোল *** ‘পুনর্বাসনের নামে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে’ *** ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় উন্মুক্ত হতে পারে’ *** জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই: জ্বালানিমন্ত্রী *** ‘আমরা আমাদের কাজ দিয়ে ইনশাল্লাহ বেহেশতে যাব’ *** চেলসি দলে জাইমা রহমানের সুযোগ, বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন আমিনুল হক *** ট্রাম্পের হামলা বন্ধের ঘোষণার পরই কমছে তেলের দাম, চাঙা শেয়ারবাজার *** ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হয়েছে: ট্রাম্প *** ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প *** চাহিদার চেয়ে সরবরাহ কম, পেট্রল পাম্পে গাড়ির চাপ

স্কুলে বাধ্যতামূলক কোচিং : দুদকে অভিভাবকের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৩৫ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি-সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ শশি কমল বিদ্যাপীঠের ৬ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জেলা কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী।

অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি একটি বিষয় লক্ষ করা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সজল কান্তি বিশ্বাস, শিক্ষক রাসেল মোল্যা, রমানাথ বিশ্বাস, বিপুল চন্দ্র মন্ডল, অনিমেষ বৈদ্য, মিরাজ হোসেন কোচিং বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে অবহেলা করছেন তারা। এসব শিক্ষকের কাছে কোচিং না করলে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানোরও অভিযোগ রয়েছে। ফলে অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে তাদের ছেলেমেয়েদের কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন। বছরের পর বছর এ কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। 

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব শিক্ষাার্থীদের কাছ থেকে কোচিংয়ের নামে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এভাবে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে অভিভাবক সভায় বিদ্যালয়ের সভাপতিকে অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা নেননি। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বিপুল চন্দ্র মন্ডল বলেন, ‘এ এলাকায় প্রায় শতাধিক শিক্ষক থাকেন। যারা সবাই প্রাইভেট পড়ান। যিনি অভিযোগ করেছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছেন।

আমরা পরিপত্র অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে প্রাইভেট পড়াই। তবে অভিযোগে যে প্রতি ব্যাচে ৫০ জন করে পড়ানোর কথা বলা হয়েছে, ওটা ঠিক না। আমি তিন ব্যাচে মোট ৫০ জনকে পড়াই।’ 

আরো পড়ুন: ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন: আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসির শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। যেখানে অভিযোগ করেছেন, তারা ব্যবস্থা নেবেন। আমার কাছে যেহেতু কোনো অভিযোগ করেনি, সেহেতু এ বিষয়ে আমার কী করার আছে।’ 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. সিফাত উদ্দীন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের অভিযোগ যাচাই-বাছাই কমিটি রয়েছে। কমিটির মাধ্যমে অভিযোগ প্রধান কার্যালয় পাঠানো হয়। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।’

এসি/ আই. কে. জে/ 


দুদক বাধ্যতামূলক কোচিং

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250