ফাইল ছবি
দেশে কারাবন্দী পাঁচ সাংবাদিকের আবারও মুক্তি দাবি করেছে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ, তাদের সঙ্গে হওয়া নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এশিয়ার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
গতকাল ৩০ অক্টোবর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বন্দী দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানায় সিপিজে। সংগঠনটি বলেছে, এশিয়ার আটটি দেশে সাংবাদিকেরা কারাবন্দী রয়েছেন। দেশগুলো হলো চীন, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, আফগানিস্তান ও ফিলিপাইন। এসব দেশে যথাক্রমে ৫০, ৩০, ১৬, ৫, ৫, ১, ১ ও ১ জন সাংবাদিক কারাগারে রয়েছেন।
সিপিজে বলেছে, সাংবাদিকদের নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সঙ্গে হওয়া নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ব এ পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে না। সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়।
৩০ অক্টোবরের বিবৃতিতে দেশে কারাবন্দী পাঁচ সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেনি সিপিজে। তবে তারা হলেন সাংবাদিক ও লেখক শাহরিয়ার কবির, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, একই টেলিভিশনের সাবেক প্রধান বার্তা সম্পাদক শাকিল আহমেদ এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও সংবাদ উপস্থাপক ফারজানা রূপা। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এই পাঁচ সাংবাদিকের গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে ২০২৪ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে। তাদের মধ্যে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তুরস্ক হয়ে ফ্রান্স যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শাকিল আহমেদ একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক এবং ফারজানা রূপা চ্যানেলটির প্রধান প্রতিবেদক ও সংবাদ উপস্থাপক ছিলেন। উত্তরা পূর্ব থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলার এজাহারে তাদের নাম ছিল না; অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে সে সময় সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এরপর ৩১ আগস্ট ঢাকার একটি আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে দুটি মামলায় তাদের কয়েক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে আরও একাধিক হত্যা মামলা যুক্ত হয়। সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে আটটি এবং ফারজানা রূপার বিরুদ্ধে নয়টি হত্যা মামলা ছিল। তাদের পরিবারের অভিযোগ, সাংবাদিকতার কারণে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ধারণা থেকে তাদের এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন মোজাম্মেল হক বাবু ও শ্যামল দত্ত। মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন। শ্যামল দত্ত দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ সে সময় দাবি করেছিল, তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনার ভিন্ন বিবরণ দেওয়া হয়। শ্যামল দত্তের মেয়ে সিপিজেকে জানিয়েছিলেন, আগের দিন দুজনকে অপহরণ করে মারধর ও লুটপাট করা হয়েছিল। পরদিন পুলিশ তাদের উদ্ধার করার পর অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে উল্টো তাদের আটক করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
গ্রেপ্তারের পর ১৭ সেপ্টেম্বর তাদের পৃথক হত্যা মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। পরে শ্যামল দত্তকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায় ফজলু হত্যা মামলায় এবং মোজাম্মেল বাবুকে বাড্ডা ও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০২৫ সালের আগস্টে বৈশাখী টেলিভিশনের করা একটি অর্থ আত্মসাতের মামলাতেও মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।
সাংবাদিক ও লেখক শাহরিয়ার কবিরকে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার কবির দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা করেছেন। তিনি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ও মানবাধিকারকর্মী হিসেবেও পরিচিত। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রমনা ও ভাষানটেক থানায় দায়ের করা একাধিক মামলায় তাকে আসামি করা হয়।
পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও কারাবন্দিত্বের বিষয়টি নিয়ে সিপিজে এর আগেও একাধিকবার উদ্বেগ জানিয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল আইনমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে চার সাংবাদিক—ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির আহ্বান জানায় সংগঠনটি। চিঠিতে বলা হয়, তাদের গ্রেপ্তারের পর প্রায় ৬০০ দিন পার হলেও পুলিশ অভিযোগের সমর্থনে অভিযোগপত্র দিতে পারেনি। হত্যা মামলাগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি।
সিপিজে ওই চিঠিতে কারাগারে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানায়। শ্যামল দত্তের হৃদ্রোগ ও ঘুমের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। মোজাম্মেল বাবুর ২০২৩ সালের শেষ দিকে প্রোস্টেট ক্যানসারের অস্ত্রোপচার হয়েছিল, কিন্তু কারাগারে তার প্রয়োজনীয় পরবর্তী চিকিৎসা পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ সেলে রাখা হয়েছিল বলেও সিপিজে জানায়।
চলতি বছরের ১৫ জুলাই ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত নিয়েও উদ্বেগ জানায় পাঁচটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সাংবাদিক অধিকার সংগঠন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আর্টিকেল নাইনটিন, সিভিকাস, সিপিজে ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার সংবাদ প্রচারের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা উচিত নয়। বিবৃতিতে চার সাংবাদিকের মুক্তি, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়ার প্রবণতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে ১৪ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা একটি মামলায় ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে নতুন এই তদন্তের বিষয়েও সিপিজে ১৫ মে বিবৃতি দিয়ে মুক্তি দাবি করে। ১১ মে হাইকোর্ট হত্যা মামলাগুলোর অধিকাংশে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে জামিন দিলেও পরে আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশে সেই জামিন কার্যকর হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর ধারাবাহিক প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবির পরও তারা কারাগার থেকে মুক্তি পাননি।
যুক্তরাজ্য সরকারের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত বাংলাদেশবিষয়ক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনেও পাঁচ সাংবাদিকের কারাবন্দিত্বের তথ্য রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের তথ্য অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচ সাংবাদিক কারাবন্দী ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে এবং দুজন ২১ আগস্ট থেকে আটক রয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে জুলাই ২০২৪-এর ঘটনাসংশ্লিষ্ট মামলাগুলো এখনো চলমান।
এদিকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত আট মাসেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা, হুমকি ও হত্যার ঘটনা রয়েছে। ২৩ ও ২৪ আগস্ট যশোরের শার্শায় পাঁচ সাংবাদিকের ওপর দুই দফা হামলার অভিযোগ ওঠে। তারা হলেন আতিউজ্জামান রুমি, আলমগীর হোসেন, সাহাবুদ্দিন আহমেদ, আনিসুর রহমান ও রাহাত হোসেন। একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রথম দফায় হামলার শিকার হন তারা। পরে থানায় মামলা করার পর আবার হামলার অভিযোগ করেন সাংবাদিকেরা।
২৫ আগস্ট শরীয়তপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিএনপির একটি পক্ষের কর্মসূচি সংবাদ সংগ্রহের সময় তিন সাংবাদিক হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। তারা হলেন দ্য ডেইলি স্টারের শরীয়তপুর প্রতিনিধি জাহিদ হাসান, নিউজ টোয়েন্টিফোর ও জাগো নিউজের প্রতিনিধি বিধান মজুমদার এবং দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি বরকত মোল্লা। একই দিন শার্শায় সাংবাদিকদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলার ঘটনাও ঘটে। ২৭ আগস্ট কুমিল্লায় সংবাদ সংগ্রহে যাওয়ার পথে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
২৯ আগস্ট ঝিনাইদহে আইনমন্ত্রীর একটি কর্মসূচি সংবাদ সংগ্রহের সময় ডেইলি স্টারের সাংবাদিক ওমর আলী সোহাগের ওপর ছাত্রদলের কর্মীদের হামলার অভিযোগ ওঠে। ১৯ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন বাংলা টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি মাহবুব-উল-আহসান উল্লাস। এ ঘটনায় তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা মিডিয়া ইনিশিয়েটিভ ফর ডেভেলপমেন্টের (এমআইডি) ২ অক্টোবর প্রকাশিত এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে দেশের ১৬২ সাংবাদিক ১১২টি ঘটনায় হামলা, হুমকি, হয়রানি ও আইনি হয়রানির শিকার হয়েছেন। জুলাইয়ে ৫০, আগস্টে ৬৭ এবং সেপ্টেম্বরে ৪৫ সাংবাদিক এসব ঘটনার শিকার হন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর প্রধান উপায় ছিল শারীরিক হামলা ও মৃত্যুর হুমকি।
এ সময়ের সবচেয়ে গুরুতর ঘটনা ঘটে নেত্রকোনায়। গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুর উপজেলার উত্তরাইল বাজারে গুলি করে হত্যা করা হয় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফকে। তিনি বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজে স্থানীয় দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন। মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এর আগে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বরও তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন ১৬ অক্টোবর বিবৃতি দিয়ে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানায়।
সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হত্যা ও কারাবন্দিত্বের এসব ঘটনার মধ্যে পাঁচ সাংবাদিকের মুক্তির দাবি আবারও সামনে এনেছে সিপিজে। সংগঠনটির বক্তব্য, সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের কারণে তাদের কারাগারে রাখা বা নির্যাতন করা গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগের বিচার হতে হবে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায়। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
খবরটি শেয়ার করুন