মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র করতে চায় চীন: বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন *** বাসভাড়া কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন আজ *** জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬ *** ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন হবে চেয়ারম্যান সেলিম খান ও তার ছেলের মরদেহ *** দেশে বীজের বার্ষিক চাহিদা ১৩ লাখ, পরীক্ষিত ৩০ শতাংশ *** বুধবার থেকেই বিশ্বজুড়ে বন্ধ হয়ে যাবে ইরানের সব এয়ারলাইন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি *** রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুতিনের দলের *** ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ৩ মার্কিন সংবাদমাধ্যমের, টেলিভিশন ‘পুল’ কভারেজ স্থগিত *** বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ কত শক্তিশালী হবে, গরম কমবে কি *** ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

রমজানে কিডনি রোগীর সতর্কতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৩ অপরাহ্ন, ৩১শে মার্চ ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবছর আমাদের দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তবে রমজান মাসে কিডনি রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবেন? আর যদি রাখেন তবে তাদের কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে সবাই কমবেশি বিভ্রান্তিতে ভোগেন। কিডনি রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জেনে নেয়া যাক-

সাধারণত প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কিডনি রোগীরা রোজা পালন করতে পারেন। তৃতীয় পর্যায়ের রোগীদের অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। কিন্তু চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের রোগী এবং ডায়ালাইসিসের রোগীদের রোজা পালন করা নিষেধ।

কী খাবেন

কিডনি রোগ এমন একটি রোগ, যেখানে পানিও মেপে খেতে হয়। তাই আপনাকে সারা দিন বুঝেশুনে খাবার খেতে হবে।

কিডনি রোগীদের রক্তের ক্রিয়েটিনিন রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। রক্তের ইলেকট্রোলাইটসে পটাশিয়াম ও বাইকার্বোনেটের রিপোর্ট দেখে শাকসবজি ও ফলমূলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

আরো পড়ুন : পিসিওএস সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নারীরা যা করবেন

রোগীদের যদি শুধু ক্রিয়েটিনিন বেশি থাকে, সে ক্ষেত্রে ডাল ও ডালের তৈরি খাবার বন্ধ রাখতে হবে। ডালের বেসন দিয়ে তৈরি চানাবুট, পেঁয়াজু, বেগুনি, বিভিন্ন রকমের চপ, পাকোড়া, হালিম খাওয়া বন্ধ। শিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি, মটরশুঁটি, বরবটি, বাদাম বা এগুলো দিয়ে তৈরি খাবারও বন্ধ। মাছ–মাংস স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ শতাংশ কমাতে হবে। গরু–খাসির মাংস বন্ধ; তবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে পরিমিত খাওয়া যাবে।

রোগীদের পটাশিয়াম ও বাইকার্বোনেট বেশি থাকলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ শাকসবজি ও ফল খাওয়া বন্ধ। ফলের মধ্যে প্রায় সব ফলই পটাশিয়ামসমৃদ্ধ। তাই সব ধরনের ফল খাওয়া বন্ধ রাখাই উত্তম। বিশেষ করে টক ফলে পটাশিয়াম বেশি থাকে। শুধু আপেল, পেয়ারা, নাশপাতি, পেঁপে, বরই কম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ। এগুলো দিনে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে। ডাবের পানিও বেশ পটাশিয়ামসমৃদ্ধ।

শাকসবজি ও আটা–ময়দার খাবার

১. সব ধরনের শাকসবজিতেই কমবেশি পটাশিয়াম থাকে; যা কিডনিবান্ধব নয়। তাই শাকসবজি থেকে কিছুটা পটাশিয়াম কমিয়ে খেতে হবে। সে ক্ষেত্রে শাকসবজি সেদ্ধ করে পানি ফেলে রান্না করতে হবে। শাকসবজি বেশি ঝোল করে রান্না করবেন, কিন্তু কম ঝোল নিয়ে খাবেন। শাকসবজি ভাজি করে খাওয়া নিষেধ।

২. আটা–ময়দার তৈরি খাবার খাওয়া কমাতে হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম পর্যায়ের রোগীদের আটা–ময়দার তৈরি খাবার বন্ধ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে চালের আটার খাবার খেতে পারেন।

৩. সারা দিনে লবণের ব্যবহার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে হবে।

এস/ আই. কে. জে/ 

স্বাস্থ্য পরামর্শ রমজান কিডনি রোগী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250