শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্যাটারির রিকশার সর্বোচ্চ গতি ২৫ কিমি, নিবন্ধন ফি ৮-১০ হাজার টাকা *** ১ লাখ ৩১ হাজার ভোট ব্যবধানে বিজয়ী ধানের শীষ, আজ বিক্ষোভ জামায়াতের *** বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ১৭তম লন্ডন বাংলা বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব *** ভোটকেন্দ্রে জাল ভোটের চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা তিন শিক্ষার্থী *** ‘অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটায় চলে যান—এটা চলবে না’ *** বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার: এখনই মন্তব্য করতে চান না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ফের মার্কিন হামলা হলেও কয়েক মাস টিকে থাকার খাদ্য–জ্বালানি মজুত আছে ইরানের *** আজ ঢাকায় গাইবেন পাকিস্তানের মুর্তজা কিজিলবাশ *** দিল্লিতে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত *** শুধু ব্যবস্থা নেওয়া নয়, অপরাধের ঝুঁকি কমানো আমাদের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চটপটি-ছোলামুড়িসহ ফুটপাতের ৬ খাবারে মিলেছে ডায়রিয়ার জীবাণু

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, ৯ই জুন ২০২৪

#

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর সড়কে বিক্রি হওয়া ছোলামুড়ি, চটপটিসহ ৬ ধরনের খাবারে উচ্চমাত্রার ডায়রিয়ার জীবাণু পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার (৯ই জুন) সকালে সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্স সাইন্সের প্রধান বিজ্ঞানী মো. লুতফুল কবীর।

জানা গেছে, গবেষণায় সড়কে বিক্রি হয় এমন ৬ ধরনের খাবারের ৪৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ছোলামুড়ি, চটপটি, স্যান্ডুইচ, আখের রস, এলোভেরা জুস, মিক্সড সালাদের সংগ্রহ করা এসব নমুনায় মাত্রাতিরিক্ত ই-কোলাই, ভিবরিও এসপিপি ও সালমেনেলার মতো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। এসব জীবাণু ডায়রিয়া, পেটের পীড়ার জন্য দায়ী।

গবেষণায় উঠে এসেছে, দূষিত পানি, নোংরা গামছা, অপরিস্কার হাত, ধুলাবালিময় পরিবেশের কারণে এই ধরণের জীবাণু খাবারের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। বিক্রেতাদের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় খাবারে সহজেই জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জুসের মগ ও গ্লাস জীবাণুবাহী হয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্স সাইন্সের প্রধান বিজ্ঞানী মো. লুতফুল কবীর বলেন, এসব খাবারে ই-কোলাই-সালমেনেলা উপস্থিত থাকার কথা না। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ই-কলাই, সালমোনাই পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ভিবরিও এসপিপি ও পাওয়া গেছে। এসব খাবার খেয়ে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। বিক্রেতারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মানেন না।

তিনি বলেন, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতারা লাইসেন্স ছাড়াই কাজ করে। তাদের আইনি কাঠামোর মধ্যে আনলে বিক্রেতাদের জীবন জীবিকা সহজ হবে। তিনি বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ ও প্রাত্যহিক মনিটরিং করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওআ/


চটপটি ডায়রিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250