মঙ্গলবার, ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষকের সাক্ষাৎ *** বিসিবির চাওয়া পূরণ করল আইসিসি *** জামায়াতের ভোটের প্রচারের সময় টাকা দিলেন আইনজীবী শাহরিয়ার, ভিডিও ভাইরাল *** বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কমল ১ শতাংশ *** ‘আনোয়ার হোসেন মঞ্জু—দ্য মিডিয়া বস’ *** ভোট বর্জন করলেন আওয়ামী লীগের কারাবন্দী সাবেক এমপি আসাদ ও এনামুল *** জামায়াতকে ভোট দিলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল *** সরকার গঠন করলে ফজর নামাজ পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করব: জামায়াত আমির *** রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলমন্ত্র হবে মহানবীর মহান আদর্শ-ন্যায়পরায়ণতা: তারেক রহমান *** দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, জান্নাত অবধারিত: জামায়াত প্রার্থী

চটপটি-ছোলামুড়িসহ ফুটপাতের ৬ খাবারে মিলেছে ডায়রিয়ার জীবাণু

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, ৯ই জুন ২০২৪

#

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর সড়কে বিক্রি হওয়া ছোলামুড়ি, চটপটিসহ ৬ ধরনের খাবারে উচ্চমাত্রার ডায়রিয়ার জীবাণু পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার (৯ই জুন) সকালে সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্স সাইন্সের প্রধান বিজ্ঞানী মো. লুতফুল কবীর।

জানা গেছে, গবেষণায় সড়কে বিক্রি হয় এমন ৬ ধরনের খাবারের ৪৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ছোলামুড়ি, চটপটি, স্যান্ডুইচ, আখের রস, এলোভেরা জুস, মিক্সড সালাদের সংগ্রহ করা এসব নমুনায় মাত্রাতিরিক্ত ই-কোলাই, ভিবরিও এসপিপি ও সালমেনেলার মতো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। এসব জীবাণু ডায়রিয়া, পেটের পীড়ার জন্য দায়ী।

গবেষণায় উঠে এসেছে, দূষিত পানি, নোংরা গামছা, অপরিস্কার হাত, ধুলাবালিময় পরিবেশের কারণে এই ধরণের জীবাণু খাবারের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। বিক্রেতাদের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় খাবারে সহজেই জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জুসের মগ ও গ্লাস জীবাণুবাহী হয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্স সাইন্সের প্রধান বিজ্ঞানী মো. লুতফুল কবীর বলেন, এসব খাবারে ই-কোলাই-সালমেনেলা উপস্থিত থাকার কথা না। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ই-কলাই, সালমোনাই পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ভিবরিও এসপিপি ও পাওয়া গেছে। এসব খাবার খেয়ে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। বিক্রেতারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মানেন না।

তিনি বলেন, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতারা লাইসেন্স ছাড়াই কাজ করে। তাদের আইনি কাঠামোর মধ্যে আনলে বিক্রেতাদের জীবন জীবিকা সহজ হবে। তিনি বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ ও প্রাত্যহিক মনিটরিং করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওআ/


চটপটি ডায়রিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250