শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারত মিলে নেবে—আশা যুক্তরাষ্ট্রের *** সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের *** জাতিসংঘেও কালো সানগ্লাস পরে ভাষণ দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু কেন *** যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় যা আছে *** বন্দুকের ভঙ্গিতে উদযাপন করে লালকার্ড দেখলেন ইসরায়েলি ফুটবলার *** ‘আমলাদের লেখা আইনের খসড়া অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে’ *** জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ অনেকে গ্রেপ্তার *** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এবার কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেই *** পাকিস্তান সফরে কবে যাবেন—জবাবে সাংবাদিকদের যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, কী লিখেছেন

শিশুর হাঁটা শেখার সময় ওয়াকার ব্যবহার কি ভালো?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, ২০শে জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রত্যেকটা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি  ধাপ হাঁটতে শেখা। সাধারণত ১২ থেকে ১৮ মাসের মাঝেই হাঁটতে শিখে যায় শিশু। কিছু আগে–পরেও হতে পারে। দেখা যায় দ্রুত হাঁটা শেখার জন্য অনেক অভিভাবকই শিশুদের ওয়াকার দিয়ে থাকেন। কিন্তু শিশুর হাঁটা শেখার সময় ওয়াকার ব্যবহার কি ভালো?

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুকে ওয়াকার দেওয়া হয়, তাদের বরং বিকাশ বিলম্বিত হয়। যত বেশি ওয়াকার ব্যবহার করা হয়, শিশুর দাঁড়ানো এবং হাঁটা তত পিছিয়ে যায়। ওয়াকার শিশুকে সোজা করে আটকে রাখে। এতে হাঁটার জন্য প্রয়োজনীয় ভারসাম্য রাখতে শেখে না শিশু।

মানসিক বিকাশ, ভাষাগত দক্ষতাতেও তারা পিছিয়ে থাকে। ওয়াকার ব্যবহারকারী শিশুর মধ্যে বিভিন্ন দূরত্ব, গভীরতা এ ধরনের ত্রিমাত্রিক ধারণাগুলো তৈরি হয় না।

বলা হয়ে থাকে ‘হাঁটতে শেখে না কেহ না খেয়ে আছাড়’। একটি শিশু প্রথমে দাঁড়াতে শেখে। এরপর অল্প অল্প করে হাঁটার চেষ্টা করে। মাঝেমধ্যে পড়ে যায়, আবার উঠে হাঁটার চেষ্টা করে। এভাবেই শিশুর শরীরের কোমর, পা এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিণত হতে থাকে। আবার এই সময়েই শিশুর মস্তিষ্কের যে অংশগুলো ভারসাম্য বজায় রাখার কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করে, তা–ও পরিণত হতে থাকে।

আরো পড়ুন : চিরতা ভেজানো পানি কেন পান করবেন?

এভাবে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি একসময় শিশু ভালোভাবে রপ্ত করে এবং পুরোপুরি হাঁটতে শেখে। ওয়াকার বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করলে শিশুর বিকাশের এই প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়।

ওয়াকার ব্যবহারে শিশুর দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও নেহাত কম নয়। ওয়াকারে থাকা অবস্থায় শিশু সিঁড়ি দিয়ে নামতে চেষ্টা করে মাথা ও ঘাড়ে মারাত্মক আঘাত পেতে পারে, যার প্রভাব সারা জীবনও বয়ে নিয়ে চলতে হতে পারে।

ওয়াকারে আঙুল আটকে ব্যথা পেতে পারে শিশু, কেটে যেতে পারে আঙুল। অনেক সময় ওয়াকার থেকে নিচু হয়ে কিছু তুলতে গিয়ে উল্টে বা নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে শিশু। এ জন্য পৃথিবীর অনেক দেশেই বাচ্চাদের ওয়াকার ব্যবহার নিষিদ্ধ অথবা সীমিত করা হয়।

সর্বোপরি বড়দের মতো শিশুরাও বিভিন্ন কাজ সঠিকভাবে করতে পারলে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। তাই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ও বিকাশের পরবর্তী ধাপগুলোয় সময়মতো পৌঁছাতে সাহায্য করতে শিশুকে একা একাই হাঁটতে শেখার চেষ্টা করতে দেওয়া উচিত।

এস/কেবি

শিশুর হাঁটা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারত মিলে নেবে—আশা যুক্তরাষ্ট্রের

🕒 প্রকাশ: ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের

🕒 প্রকাশ: ১১:৪৯ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘেও কালো সানগ্লাস পরে ভাষণ দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু কেন

🕒 প্রকাশ: ১১:২১ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় যা আছে

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৩ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

বন্দুকের ভঙ্গিতে উদযাপন করে লালকার্ড দেখলেন ইসরায়েলি ফুটবলার

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250