শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’ *** গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব *** এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত *** গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব *** আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না, এটা মাস্তানি হচ্ছে: বদিউর রহমান *** যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত মানচিত্রে পুরো কাশ্মীর ভারতের অংশ! *** এপস্টেইনের কাছে ‘লম্বা, স্বর্ণকেশী সুইডিশ তরুণী’ চেয়েছিলেন আম্বানি *** মোসাদের চর ছিলেন জেফরি এপস্টেইন, জানা গেল এফবিআই নথিতে *** ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি না করতে অনুরোধ বিএনপি প্রার্থীর *** নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা: রাষ্ট্রের দায় ও গণতন্ত্রের বাস্তব পরীক্ষা

শিশুর হাঁটা শেখার সময় ওয়াকার ব্যবহার কি ভালো?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, ২০শে জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রত্যেকটা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি  ধাপ হাঁটতে শেখা। সাধারণত ১২ থেকে ১৮ মাসের মাঝেই হাঁটতে শিখে যায় শিশু। কিছু আগে–পরেও হতে পারে। দেখা যায় দ্রুত হাঁটা শেখার জন্য অনেক অভিভাবকই শিশুদের ওয়াকার দিয়ে থাকেন। কিন্তু শিশুর হাঁটা শেখার সময় ওয়াকার ব্যবহার কি ভালো?

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুকে ওয়াকার দেওয়া হয়, তাদের বরং বিকাশ বিলম্বিত হয়। যত বেশি ওয়াকার ব্যবহার করা হয়, শিশুর দাঁড়ানো এবং হাঁটা তত পিছিয়ে যায়। ওয়াকার শিশুকে সোজা করে আটকে রাখে। এতে হাঁটার জন্য প্রয়োজনীয় ভারসাম্য রাখতে শেখে না শিশু।

মানসিক বিকাশ, ভাষাগত দক্ষতাতেও তারা পিছিয়ে থাকে। ওয়াকার ব্যবহারকারী শিশুর মধ্যে বিভিন্ন দূরত্ব, গভীরতা এ ধরনের ত্রিমাত্রিক ধারণাগুলো তৈরি হয় না।

বলা হয়ে থাকে ‘হাঁটতে শেখে না কেহ না খেয়ে আছাড়’। একটি শিশু প্রথমে দাঁড়াতে শেখে। এরপর অল্প অল্প করে হাঁটার চেষ্টা করে। মাঝেমধ্যে পড়ে যায়, আবার উঠে হাঁটার চেষ্টা করে। এভাবেই শিশুর শরীরের কোমর, পা এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিণত হতে থাকে। আবার এই সময়েই শিশুর মস্তিষ্কের যে অংশগুলো ভারসাম্য বজায় রাখার কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করে, তা–ও পরিণত হতে থাকে।

আরো পড়ুন : চিরতা ভেজানো পানি কেন পান করবেন?

এভাবে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি একসময় শিশু ভালোভাবে রপ্ত করে এবং পুরোপুরি হাঁটতে শেখে। ওয়াকার বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করলে শিশুর বিকাশের এই প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়।

ওয়াকার ব্যবহারে শিশুর দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও নেহাত কম নয়। ওয়াকারে থাকা অবস্থায় শিশু সিঁড়ি দিয়ে নামতে চেষ্টা করে মাথা ও ঘাড়ে মারাত্মক আঘাত পেতে পারে, যার প্রভাব সারা জীবনও বয়ে নিয়ে চলতে হতে পারে।

ওয়াকারে আঙুল আটকে ব্যথা পেতে পারে শিশু, কেটে যেতে পারে আঙুল। অনেক সময় ওয়াকার থেকে নিচু হয়ে কিছু তুলতে গিয়ে উল্টে বা নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে শিশু। এ জন্য পৃথিবীর অনেক দেশেই বাচ্চাদের ওয়াকার ব্যবহার নিষিদ্ধ অথবা সীমিত করা হয়।

সর্বোপরি বড়দের মতো শিশুরাও বিভিন্ন কাজ সঠিকভাবে করতে পারলে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। তাই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ও বিকাশের পরবর্তী ধাপগুলোয় সময়মতো পৌঁছাতে সাহায্য করতে শিশুকে একা একাই হাঁটতে শেখার চেষ্টা করতে দেওয়া উচিত।

এস/কেবি

শিশুর হাঁটা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’

🕒 প্রকাশ: ১০:২৪ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব

🕒 প্রকাশ: ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না, এটা মাস্তানি হচ্ছে: বদিউর রহমান

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Footer Up 970x250