মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মালদ্বীপকে উড়িয়ে ফাইনালে ভারতের সঙ্গী বাংলাদেশ *** মেসিবিহীন আর্জেন্টিনায় একের পর এক চোটের হানা *** যথাযথ মর্যাদা না দেওয়ায় শফিকুর রহমান জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাননি *** ভোট দেওয়া-না দেওয়া সবার সরকার হতে চাই: প্রধানমন্ত্রী *** ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালা একদিনের রিমান্ডে *** পাবনার আওয়ামী লীগের ৩ নেতা ঢাকায় গ্রেপ্তার *** ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে জামায়াতের আমির—‘তিনি হয়তো ভালো নিয়তে করেছেন’ *** ইশরাক কাজটা ভালোই করেছে, তবে অস্ত্র হাতে নেওয়া ঠিক হয়নি: স্পিকার *** একসঙ্গে করছিলেন ৫ চাকরি, ধরা পড়লেন যেভাবে *** সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

একসঙ্গে করছিলেন ৫ চাকরি, ধরা পড়লেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, ২০শে অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে একসঙ্গে পাঁচটি সরকারি চাকরি করে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ পাউন্ড বা প্রায় ৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আয়ের অভিযোগ উঠেছে একজনের বিরুদ্ধে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৫ বছর বয়সী কাশিম চৌধুরী ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ।

কাশিম চৌধুরী যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, সেগুলোর মধ্যে ছিল টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও খাদ্যবিষয়ক বিভাগ এবং স্বাস্থ্য খাতের দুটি সরকারি সংস্থা।

আদালতে বলা হয়, ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থার ব্যবস্থাপক আলিশা অ্যাডামস অসুস্থতাজনিত ছুটি নিয়ে কথা বলতে কাশিম চৌধুরীর সঙ্গে ভিডিও কল করেন।

অ্যাডামসের অভিযোগ, অসুস্থ দেখানোর জন্য তিনি মুখে সাদা মেকআপ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু কথা বলার সময় কপালের মেকআপ উঠে যেতে শুরু করে। এতে নিচের স্বাভাবিক ত্বক দেখা যাচ্ছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী লুসি অর্গান আদালতে বলেন, বসের কাছে অসুস্থতার ভান করতেই চৌধুরী মুখে মেকআপ লাগিয়েছিলেন। ঘটনাটি হাস্যকর মনে হলেও প্রতারণার জন্য তিনি কত দূর যেতে পারেন, তা এতে বোঝা যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড মহামারির সময় ঘরে বসে কাজের সুযোগের অপব্যবহার করে কাশিম  চৌধুরী একসঙ্গে একাধিক চাকরি করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার কথা বলে তিনি নিয়োগদাতাদের কাছ থেকে বাসায় বসে কাজ করার অনুমতি নিয়েছিলেন। তবে একপর্যায়ে কাজের চাপ সামলাতে না পেরে তার কর্মদক্ষতা কমে যায় বলে আদালতে জানানো হয়।

আদালতে আরও বলা হয়, উদ্বেগ ও বিষণ্নতাজনিত সমস্যার কারণে কয়েকটি চাকরি থেকে চৌধুরীকে অসুস্থতাজনিত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। তবে সব নিয়োগদাতার কাছে তিনি চিকিৎসকের ছুটির সনদ জমা দেননি বলে অভিযোগ।

কাশিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রতারণার নয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অসৎ আচরণ বা অসৎভাবে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগও নাকচ করেছেন তিনি।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় প্রতারণা তদন্ত উদ্যোগের সতর্কবার্তার পর বিষয়টি সামনে আসে। মামলাটির বিচার চলছে।

চাকরি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250