ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কাজটা ভালোই করেছে। পুলিশের ওপর যারা গুলিবর্ষণ করে একদল মাদকসেবী, তাদের দমন করতে গিয়েছিলেন। তবে তার হাতে অস্ত্র নেওয়াটা ঠিক হয়নি। এটা মানায় না।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার আরও বলেন, সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার সঙ্গে বডিগার্ড আছে। পুলিশবাহিনী যদি দুর্বল হয়, দলীয় কর্মীবাহিনী যেতে পারে। কিন্তু আইনি হোক আর বেআইনি হোক, মন্ত্রী পর্যায়ের একজন নেতার হাতে অস্ত্র শোভা পায় না। যে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংসদীয় ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। লালমোহন উপজেলা এবং পৌরসভা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘চোরের দল’ বলে মন্তব্য করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ ভেবেছে লুটপাট করে কিয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে। মনে করেছিল এভাবেই জীবন যাবে। হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে তারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে প্রত্যেক মানুষের বাক-স্বাধীনতা আছে। তারা সরকার ও সরকারপ্রধানের সমালোচনা করতে পারবে। একজন মহিলা এমপি বিরুদ্ধে একটি হাসপাতাল দখলের অভিযোগ পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তাকেও পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও পদত্যাগ করেছেন। যা অতীতে কোনো দল তার দলের এমপি ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপসহীন হওয়ায় সম্ভব হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মজুমদার, উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম বাবুলসহ প্রমুখ।
খবরটি শেয়ার করুন