ছবি: সংগৃহীত
ক্যাজুয়াল সেক্স হলো কোনো অঙ্গীকার ছাড়া যৌন কার্যক্রম, যাতে রোমান্টিক সম্পর্ক সাধারণত থাকে না। এ সম্পর্কে যৌন সাথীদের মধ্যে অঙ্গীকার ও মানসিক সংযুক্তি থাকে না। সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন আধুনিক বিশ্বের একটি পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছে।
ক্যাজুয়াল সেক্সের ক্ষেত্রে কে বেশি আবেগপ্রবণ? পুরুষ নাকি নারী? সম্প্রতি নিউরো বিজ্ঞানী তারা সোয়ার্ট এ বিষয়ে চমৎকার তথ্য উপস্থাপন করলেন। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
তার মতে, ‘অঙ্গীকারের বদলে এখন অনেকেই ক্যাজুয়াল সেক্সের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। অনেকেই সঙ্গীর সম্মতির বিষয়টি বুঝে মিলনে আগ্রহী হন।’
নিউরো বিজ্ঞানী তারা সোয়ার্ট আরও বলেন, ‘ক্যাজুয়াল সেক্স হলেও হরমোন ক্ষরণজনিত কারণে নারীরা এ সম্পর্কে বেশি জড়িয়ে পড়েন।’
যৌনতার সময় নারীদের অক্সিটোসিন ক্ষরণ বাড়ে। কিন্তু এই সময় পুরুষের বেলায় টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। প্রশ্ন হলো, পুরুষদের কি তবে অক্সিটোসিন ক্ষরণ হয় না?
চিকিৎসকের মতে, কারো প্রতি ভালোবাসার অনুভূতি জাগলেই পুরুষদের অক্সিটোসিন ক্ষরণ হয় এবং এ হরমোন ক্ষরণ হলেই আবেগ প্রবণতা বাড়ে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে অক্সিটোসিন হরমোনকে ‘লাভ হরমোন’ বলে অভিহিত করা হয়। এ হরমোনই সম্পর্কের প্রতি পারস্পরিক আবেগ জমাতে সহায়তা করে। এ কারণেই এই হরমোন ক্ষরণকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা। অক্সিটোসিন হরমোন ক্ষরণ বাড়ার কারণে নারীরা ক্যাজুয়াল সেক্সের ক্ষেত্রে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এইচ.এস/