সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে: ধ্রুব রাঠি *** নেপালে ফের বন্যা: ভেসে গেছে বাড়ি-সেতু, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত *** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়

সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে বাণিজ্যিক আম চাষ

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৪৫ অপরাহ্ন, ২রা জুলাই ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড পাহাড়ের পাদদেশে পরিত্যক্ত জায়গায় ৩০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি আম গাছ রোপণ করে লাভবান হয়েছেন মো. রাশেদ। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে ৫ একর জমিতে আম চাষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছেন তিনি। গত বছর আম বিক্রি করে সুবিধা করতে না পারলেও চলতি বছর অনেক লাভবান হয়েছেন রাশেদ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়ন, কুমিরা, বাঁশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড, বারৈয়াঢালা, সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে আসছে কৃষক পরিবার। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আম চাষ হয়েছে বাঁশবাড়িয়া, ভাটিয়ারী, কুমিরা ও সীতাকুণ্ড পৌরসভার চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকায়। এবার আমের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। এসব আম সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে পাইকারি দরে কিনে নিচ্ছেন পাইকাররা।

আরো পড়ুন: গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে ঝুঁকেছেন কুড়িগ্রামের নারীরা

কৃষক মো. রাশেদ বলেন, ‘আমার চাষ করা বাগানের আমে কোনো ফরমালিন নেই। এভাবে বিষমুক্ত আম চাষ করে আসছি প্রায় ১৩ বছর ধরে। ২০১১ সাল থেকেই মূলত আম চাষ শুরু করেছি। আমার বাগানে কিউজাই, ব্যানানা, ফজলি, হাঁড়িভাঙা, বারি-৪, দিশারি, রাংগোয়সহ অন্তত ৩০ প্রজাতির আম আছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জাতগুলো সংগ্রহ করেছি। পুরো পাহাড়ের পাদদেশে আম গাছ লাগানো হয়েছে। আগে থেকেই ইচ্ছে ছিল নিজে চাষ করে ফরমালিন ও বিষমুক্ত আম খাওয়ার। সেই ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। এখন আর ইচ্ছে নয়, বাঁশবাড়িয়া থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমার উৎপাদিত দেশি-বিদেশি আম যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৩ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছি। আরো ৬-৭ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারবো।’

এসি/ আই.কে.জে/ 

বাণিজ্যিক চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250