ছবি: সংগৃহীত
২০২৭ সালের একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবে তথ্যচিত্র ‘হ্যাঙ্গিং বাই আ ওয়্যার’। অস্কারের ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনো তথ্যচিত্রকে নিজেদের অফিশিয়াল এন্ট্রি হিসেবে বেছে নিল পাকিস্তান।
এমি বিজয়ী নির্মাতা মোহাম্মদ আলী নকভি পরিচালিত তথ্যচিত্রটি ২০২৩ সালের আগস্টে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় বাট্টাগ্রামে ঘটা এক রোমহর্ষক কেব্ল কার দুর্ঘটনার ওপর নির্মিত। মূলত বাট্টাগ্রামের ওই পাহাড়ি অঞ্চলে চলাচলের জন্য যাতায়াত উপযোগী কোনো সড়ক নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা এই ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী কেব্ল কার। এমন একটি কেব্ল কারে খরস্রোতা নদীর ৯০০ ফুট ওপরে আটকে পড়েছিল ছয় শিশুসহ আট যাত্রী।
হ্যাঙ্গিং বাই আ ওয়্যার তথ্যচিত্রে তাদের রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযানের বাস্তব ঘটনা উঠে এসেছে। উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহসিকতা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ফুটেজ, বেঁচে ফেরা যাত্রীদের বয়ান এবং ঘটনার পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে এটিকে ডকু-থ্রিলারে রূপ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ডেডলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নির্মাতা নকভি বলেন, ‘এটি একটি বাস্তব বিপর্যয়ের সিনেমা। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের ক্যামেরায় দৃশ্যগুলো ধারণ করেছিলেন এবং আমার ওপর আস্থা রেখে ফুটেজগুলো দিয়েছেন। এক অর্থে তারা এই সিনেমার সহনির্মাতা। উদ্ধারকাজ এবং ঘটনাটি ধারণ করার ক্ষেত্রে তারা কতটা সাহসী ও কৌশলী ছিলেন, সেটিই এর মূল বিষয়।’
পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এবং ইউনিভার্সাল পিকচার্স কনটেন্ট গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত তথ্যচিত্রটি এরই মধ্যে সানড্যান্স ও ট্রিবেকার মতো মর্যাদাপূর্ণ উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্যারামাউন্ট প্লাসে মুক্তি পাবে হ্যাঙ্গিং বাই আ ওয়্যার।
খবরটি শেয়ার করুন