ছবি-সংগৃহীত
সৌদি খেজুর চাষের সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছেন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আমড়া গোহাইল গ্রামের আবু হানিফা। হজ করে ফিরে আসার সময় আজোয়া খেজুর নিয়ে আসেন তিনি। তারপর বীজ থেকে চারা তৈরি করে বাগান গড়ে তুলেন।
আরো পড়ুন: আগাম জাতের ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন ভৈরবের কৃষকরা
উদ্যোক্তা আবু হানিফা বলেন, ২০১৮ সালে তিনি হজ করে সৌদি থেকে আসার সময় আজোয়া খেজুর এনে বীজগুলো সংরক্ষণ করে টবে চারা তৈরি করেন। তারপর ৯ শতক জমিতে খেজুরের বাগান করেন। বর্তমানে তার বাগানে সব খেজুর গাছে ফল হয়েছে।
তিনি বলেন, পরিচর্যার পর প্রায় প্রতিটি গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। তাছাড়া খেজুরের বাগানের পাশাপাশি মাল্টা, আপেল কুল, বারোমাসি আম, বারি ফোর, কিউজাই, মিষ্টি তেঁতুল, কামরাঙ্গা, আলুবোখারা গাছও লাগিয়েছি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, সৌদি খেজুর মরুভূমির ফসল। এই ফসল চাষের জন্য বিশেষ যত্ন নিতে হয়। আর এই চাষের জন্য টিস্যু কালচার পদ্ধতি জরুরি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এই পদ্ধতির মাধ্যমে গাছগুলোর বেশির ভাগ স্ত্রী গাছ হবে। তবে বগুড়ার হর্টিকালচার সেন্টারে টিস্যুকালচার পদ্ধতি চালু করার সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।
এসি/ আই. কে. জে/