শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত মানচিত্রে পুরো কাশ্মীর ভারতের অংশ! *** এপস্টেইনের কাছে ‘লম্বা, স্বর্ণকেশী সুইডিশ তরুণী’ চেয়েছিলেন আম্বানি *** মোসাদের চর ছিলেন জেফরি এপস্টেইন, জানা গেল এফবিআই নথিতে *** ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি না করতে অনুরোধ বিএনপি প্রার্থীর *** নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা: রাষ্ট্রের দায় ও গণতন্ত্রের বাস্তব পরীক্ষা *** ১২ই ফেব্রুয়ারি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়, দেশ পুনর্গঠনের: তারেক রহমান *** রাজধানীতে ১৪টি জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান *** আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না: সিপিডি *** আওয়ামী লীগ কীভাবে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়ার মতো দুর্বল হলো, যা বলছেন মাহফুজ আনাম *** শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয়: কূটনৈতিক সম্পর্কের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান

মৃত স্বামীর শুক্রাণু দিয়ে মা হলেন ৪৮ বছর বয়সী নারী

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৩০ অপরাহ্ন, ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

মৃত স্বামীর সংরক্ষিত শুক্রাণু ব্যবহার করে ‘ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ (আইভিএফ) পদ্ধতিতে ৪৮ বছর বয়সে সন্তানের মা হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের মুরারইয়ের প্রত্যন্ত এলাকার এক নারী। সন্তান সুস্থ থাকলেও ওই নারী এখনও হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন। ১১ই ডিসেম্বর মা হয়েছেন তিনি। 

তবে এই মা হওয়ার লড়াইয়ে ওই নারী পাশে পাননি পরিবারের কাউকে। দু’বছর আগে কোভিডে স্বামীকে হারিয়েছিলেন তিনি। স্বামীর রেখে যাওয়া মুদি দোকানের কর্মচারী আর তার মা খেয়াল রাখছেন ওই নারীর। 

আরো পড়ুন : শুধু পানি খেয়ে বেঁচে আছেন ৫০ বছর!

ওই নারীর আইনজীবী বলেন, স্বামী বেঁচে থাকাকালীন ওই ভদ্রমহিলার সন্তান ধারণ নিয়ে সমস্যা ছিল। দীর্ঘদিন আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান লাভের চেষ্টা চালান তারা। তখনই কলকাতার একটি পরীক্ষাগারে স্বামীর শুক্রাণু সংরক্ষণ করা হয়। এর মধ্যে কোভিডে তার স্বামী মারা যান। সন্তান কামনায় মৃত স্বামীর শুক্রাণু ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন আমার মক্কেল। এ ক্ষেত্রে আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে হয়েছিল। 

যে হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ওই নারী সেই হাসপাতালের একজন চিকিৎসক বলেন, ৪৮ বছর বয়সে সাধারণত নারীদের মেনোপজ শুরু হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে মা হওয়া যায় না। এই নারীর রক্তচাপও বেশি ছিল। উনি ডায়াবেটিক রোগীও। সব মিলিয়ে তার গর্ভবতী হওয়া যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আইভিএফ পদ্ধতিতে ওর গর্ভে যমজ সন্তান এসেছিল। একটি ছ’সপ্তাহে মারা যায়। যে বেঁচে ছিল, তার সংক্রমণ হতে পারতো। বয়সের কারণেও স্বাভাবিক প্রসব মুশকিল ছিল। ১১ তারিখ অস্ত্রোপচার করে আড়াই কেজি ওজনের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। 

এস/ আই. কে. জে/ 


শুক্রাণু মৃত স্বামী ৪৮ বছর বয়সী নারী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250