সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: হুমায়ুন কবির *** প্রাথমিকের অবশিষ্ট ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী *** আদাবরে বাড়ি ও মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা: গ্রেপ্তার ১৩ *** হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ১১০০ ছুঁই ছুঁই *** ‘দেশ বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে, যদি...’ *** সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত *** সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ২০ মাসে নদী থেকে ৯২০ মরদেহ উদ্ধার, হত্যার পর পানিতে ফেলার কৌশল কেন? *** প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত কূটনৈতিক সূচি, দুই মাসে চার দেশ সফরের আলোচনা *** ক্যারিয়ারে সফলতার শুরুতেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ডা. আঁচল রায়

বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি বিশুদ্ধ করার সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৫১ অপরাহ্ন, ২৪শে আগস্ট ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের কষ্টের সীমা নেই। এ সময় চারদিক পানিতে ভরে উঠলেও সংকট তৈরি হয় খাবার পানির। বিশুদ্ধ পানির অভাবে বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ আক্রান্ত হতে শুরু করে নানা রোগে। তাই আসুন জেনে নিই, বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণের সবচেয়ে সহজ উপায় সম্পর্কে।

সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণের দুটি উপায় বেশি জনপ্রিয়। একটি পানি ফুটিয়ে, অন্যটি ফিল্টার করে। কিন্তু বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি ফুটানো বা ফিল্টার করা কোনোটাই সম্ভব হয়ে ওঠে না।

অনেকেই বন্যাদুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন কোম্পানির ট্যাবলেটের ব্যবহারকে বেশি প্রাধান্য দেন। কিন্তু প্রয়োজনের সময় পানি বিশুদ্ধকরণের ট্যাবলেটও সহজে মেলে না। তাহলে কী করবেন, জানেন কী?

দ্রুত ও সহজ উপায়ে পানি বিশুদ্ধ করতে বেছে নিতে পারেন ক্লোরিন ও পটাশের ব্যবহারকে। ক্লোরিন বা পটাশের ব্যবহার পানিতে থাকা রোগ-জীবাণু দ্রুত ধ্বংস করতে পারে।

ক্লোরিন ও পটাশের নাম শুনে হয়তো ভাবছেন সহজে এগুলো কীভাবে হাতের কাছে পাবেন? তাহলে জেনে নিন, ক্লোরিনের একটি ভালো উৎস ব্লিচিং। আর পটাশের সবচেয়ে ভালো উৎস ফিটকিরি। এবার জেনে নিন, পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ব্লিচিং বা ফিটকিরি কীভাবে ব্যবহার করবেন?

প্রথমেই জেনে নিন, খাওয়ার জন্য নিরাপদ করতে পানি প্রথমে চুলার তাপে ফুটতে দিন। পাত্রে বলক এলেই চুলা বন্ধ করে দেবেন না। বরং এ সময়টাতেই ১ থেকে ৩ মিনিট পানি গরম করে নিন। এতে পানিতে থাকা জীবাণু ও ভাইরাস ধ্বংস হওয়ার সুযোগ পাবে।

কিন্তু বন্যার্ত এলাকায় পানি ফুটানোর সুযোগ নেই। তাই সাধারণ পানিতেই ব্লিচিং বা ফিটকিরি ব্যবহার করে পানিকে পানের উপযুক্ত করুন।

আরো পড়ুন : লবঙ্গ চিবিয়ে না খেয়ে এই ভুলগুলো করছেন নাতো?

১। ব্লিচিং: সাধারণত প্রতি ৩ লিটার পানিতে ১টি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিয়ে পানি বিশুদ্ধ করা যায়। তবে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট না পেলে ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলিগ্রাম (১ লিটারের জন্য ১ মিলিগ্রাম) ব্লিচিং গুলিয়ে রেখে দিন। ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করলেই খাওয়ার উপযুক্ত বিশুদ্ধ পানি পাবেন। 

ব্লিচিং দিয়ে পাওয়া নিরাপদ পানির সমস্যা হলো এ পানিতে ব্লিচিংয়ের একটি গন্ধ থেকে যায়। এ সমস্যা দূর করতে ঢাকনা খুলে পাত্রে রাখা পানি কাঠি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। কিছুক্ষণ পরপর নাড়াচাড়া করলেই পানিতে থাকা ব্লিচিংয়ের গন্ধ বাতাসে মিশে যাবে।

২। ফিটকিরি: বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ফিটকিরি দিয়ে পানি বিশুদ্ধ করা। এক কলসি পানিতে সামান্য পরিমাণ ফিটকিরি মিশিয়ে অপেক্ষা করুন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা।

দেখবেন ফিটকিরি পানিতে থাকা সব ময়লাকে একত্র করে তলানিতে জড়ো করেছে। এই মুহূর্তে উপরের পানি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আলাদা পাত্রে রাখুন খাওয়ার জন্য। আর তলানিতে থাকা পানি ফেলে দিন। এ পদ্ধতিতে বন্যা দুর্গত এলাকায় খুব সহজে কম সময়ে বিশুদ্ধ পানি তৈরি করা যায়। দীর্ঘসময়ের জন্য তা সংরক্ষণও করা যায়। 

এস/ আই.কে.জে/

পানি বিশুদ্ধকরণ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250