শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘আসিফ নজরুল তৃতীয় শ্রেণির লেখক’ *** নরসিংদীতে কিশোরীকে অপহরণ ও হত্যা: প্রধান আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার *** ফাওজুল কবিরের সরকারি বাসায় সাবেক উপদেষ্টাদের ইফতার ও নৈশভোজ *** আমি কিছু দেখিনি, ভুল কিছু করিনি—বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য *** হতাহত নিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের পাল্টাপাল্টি দাবি *** ‘কোনো নির্বাচনই শতভাগ নিখুঁত হয় না’ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি তদন্ত হবে: মির্জা ফখরুল *** তালেবানের পৃষ্ঠপোষক থেকে কেন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল পাকিস্তান *** ‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের *** কবি মোহন রায়হানকে ‘অপমান’ করায় উদীচীর নিন্দা

শিশুকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরির কিছু পরামর্শ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০৫ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

সব বাবা-মায়েরাই শিশুকে সঠিক উপায়ে লালন-পালন করে, তাদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে। তবে মা-বাবা শিশুকে শুধু যত্ন আর স্নেহ নয়, বরং নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সহনশীলতার গুণাবলি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। জন্মের পর থেকে প্রতিটি শিশুর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও স্বপ্নপূরণের পথ তৈরিতে মা-বাবাই মূল ভূমিকা পালন করেন। এ ব্যাপারে রইলো কিছু পরামর্শ—

বয়স অনুযায়ী দায়িত্বভার দিন

সন্তানদের বয়স অনুযায়ী বাড়ির টুকটাক কাজের দায়িত্ব দিন। যেমন বিছানা বা টেবিল গোছানো, নিজেদের খেলনা সাজিয়ে রাখা, রান্না বা ঘর পরিষ্কারের কাজে অল্প স্বল্প সাহায্য করা। এই ছোট ছোট দায়িত্ব তারা নিজেদের বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে পালন করার চেষ্টা করে। এসব কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কিছু সিদ্ধান্ত তারা নিজেরাই নিতে পারবে। এসব দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে দায়িত্ব ও জবাবদিহির বোধও তৈরি হবে।

আরো পড়ুন : প্রতিদিনের এসব অভ্যাস আপনাকে সফল করবে

খোলামেলা আলোচনা করুন

সন্তান যেন চিন্তাভাবনা বা উদ্বেগ ভাগ করে নিতে পারে, তাই প্রত্যেক মা-বাবার উচিত তাদের মধ্যে ‘স্বাচ্ছন্দ্যের বোধ’ তৈরি করা। খোলাখুলি আলোচনা করার সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো সন্তানের মতামত বা অনুভূতিকে খোলা মনে বিচার করা। এতে সে নিঃসংকোচে নিজের মনের কথা বলতে আগ্রহী হয়।

নতুন কিছু অন্বেষণে উৎসাহ দিন

শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন জিনিস যেমন শখ, খেলাধুলা বা পড়াশোনার যেকোনো বিষয় নিয়ে কৌতূহলী হয়। নতুন নতুন এই অনুসন্ধান বা কাজে তাদের উৎসাহিত করলে তারা নিজেদের আগ্রহের জায়গা খুঁজে পায়, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মা-বাবা এসব বিষয়ে সুযোগ দিলে সন্তানেরাও শুরু থেকেই নিজের প্রতিভা বিকাশের জায়গায় কাজ করতে পারে।  

নিজে অনুকরণীয় হয়ে উঠুন

শিশুরা মূলত অনুকরণপ্রিয় হয়। অনেক জিনিস তারা অনুধাবন করে শেখে। তাই মা-বাবা যদি নিজের জীবনে আত্মনির্ভরশীল, স্বাধীন-দৃঢ়চেতা ও প্রাণবন্ত হয়, সন্তানেরাও তেমন হতে শিখবে। 

এস/কেবি

শিশু শিক্ষা ভবিষ্যতের প্রস্তুতি শিশু পরামর্শ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250