মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাবার ছায়ায় ফ্লাভিও বলসোনারো, রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী হওয়ার লড়াই *** রিকশাওয়ালা পর্যন্ত আইন মানতে চায় না: কেএমপি কমিশনার *** চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি বাড়িতে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক *** আলোচনায় দুরূহ কোণ থেকে মেসির করা ফ্রি-কিকের গোল *** বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক *** চট্টগ্রামে হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার *** পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে ২০টির বেশি ককটেল-পেট্রলবোমা, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ *** একটু দায়িত্ববোধ নিয়ে কথা বলতে হবে, বিরোধী দলের উদ্দেশে হুমায়ুন কবির *** বাজারে এলপি গ্যাসের সংকট নেই, সরকারকে জানাল কোম্পানিগুলো *** ন্যাম ভবনে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো: পুলিশ

কফি খেলে ঘুম চলে যায় কেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:০৮ অপরাহ্ন, ১০ই মে ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ কফি না হলে যেন চলেই না অনেকের। আবার অনেকে শরীরে একটু ক্লান্তি দূর করতে কিংবা ঘুম কাটার জন্য কফি সেবন করেন। সেবন করার কিছুক্ষণের মধ্যে ঘুম চলে যায়। কিন্তু কফি খেলে ঘুম চলে যায় কেন?

চা বা কফি খেলে স্নায়ু উদ্দীপ্ত হয়। আর স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করার এ কাজটা করে ক্যাফেইন। চা-কফিতে ক্যাফেইনের মাত্রা ভিন্ন হয়। তবে গড়ে ১শ গ্রাম চায়ে প্রায় ১১ গ্রাম ক্যাফেইন থাকে, আর কফিতে প্রতি ১শ গ্রামে থাকে ৪০ গ্রাম। সেজন্যই কফি ঘুম তাড়ানো বা স্নায়ু উদ্দীপ্ত করার কাজে বেশি কার্যকরী।

আরো পড়ুন : গরমে কেন খাবেন আখের রস?

খাওয়ার পর ক্যাফেইন দ্রুত রক্তের মাধ্যমে যকৃতে চলে যায়। যকৃতে গিয়ে ক্যাফেইন ভেঙে যায়। তারপর তা প্রভাব ফেলে বিভিন্ন অঙ্গে। তবে এর মূল প্রভাব মস্তিষ্কে। অ্যাডেনোসিন নামে এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার আছে মস্তিষ্কে। এটি মস্তিষ্ককে শিথিল করে দেয়। ফলে দেহে ক্লান্তি বোধ হয়। সারাদিন ধরে এ অ্যাডেনোসিনের মাত্রা বেড়ে চলে। এক সময় তাই ক্লান্তিতে ঘুম চলে আসে। ক্যাফেইন এ অ্যাডেনোসিনকে আটকে দেয়। ফলে শরীর ক্লান্ত হওয়ার অনুভূতি হারিয়ে ফেলে।

পাশাপাশি ক্যাফেইন রক্তে অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তীব্র আবেগ বা উত্তেজনা বোধের জন্য দায়ী এ অ্যাড্রিনালিন হরমোন। এছাড়াও এটি ডোপামিন এবং নর-এপিনেফ্রিন ক্ষরণের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। পৃথিবীর প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন অন্তত একটি ক্যাফেইনযুক্ত খাবার খান বা পানীয় পান করেন।

গবেষণা থেকে দেখা গেছে, ক্যাফেইনের বেশ কিছু উপকারও আছে। এটি অ্যালঝাইমার বা এ ধরনের স্নায়বিক রোগ হওয়ার হার কমিয়ে দেয়। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে শরীরে এক ধরনের ক্যাফেইননির্ভরতা তৈরি হয়। তখন ক্যাফেইন না খেলে মাথা ব্যথা, অস্বস্তি লাগা, হৃৎকম্পনের হার বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। সেজন্য অতিরিক্ত চা-কফি খাওয়া বা এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া উচিত নয়।

এস/  আই.কে.জে

গবেষণা কফি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250