সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন হঠাৎ ভারতে, চার মাসে তৃতীয় সফর, নেপথ্যে কী *** ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত ১৩৬ *** অজিত দোভাল কি সত্যিই গোপনে ঢাকা সফর করেছেন? *** সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে *** চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে ইজিবাইকের চালকদের বিক্ষোভ *** নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত-বাংলাদেশ থেকে পাচার বলে দাবি কর্তৃপক্ষের *** ফের আরব আমিরাতে নেতানিয়াহুর গোপন সফর, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক *** প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরে তিন স্তরের নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে ২ হাজার পুলিশ *** চীন-আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর *** চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের

বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে কী করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০৯ অপরাহ্ন, ১২ই জুলাই ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

কোনো কিছুই ভালো লাগে না। প্রতিদিন একই রকম কাজ। হাঁপিয়ে উঠতে হয়। কখনও কখনও নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে হয়। অনেকের মধ্যে থেকেও মনে হয় পাশে কেউ নেই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে ইচ্ছে করে না। আত্মীয়-পরিজনকে এড়িয়ে চলতে ইচ্ছে হয়। কারও সাথে কথা বলার ইচ্ছা থাকে না। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লান্তি, অবসাদ আর হতাশা যখন মন জুড়ে থাকে, তখন তার থেকেই বিচ্ছিন্নতাবোধ জন্মায়। মন বিষণ্ণ হয়ে থাকে। কোনও কিছুতেই উৎসাহ থাকে না।

এ ধরনের বিষন্নতা কমাতে যা করবেন-

১. যখনই মন বিষণ্ণ হয়ে উঠবে, তখন সব কাজ ছেড়ে কিছুক্ষণের জন্য ধ্যান, মেডিটেশনে বসুন। যদি ১৫ মিনিটও মন শান্ত রেখে, চুপ করে ধ্যান করা যায়, তাহলে অনেকটা মানসিক আরাম পাওয়া সম্ভব। এতে চিন্তার জটও অনেকটা খুলে যায়। 

২. সকাল সকাল যোগাসন, প্রাণায়াম করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। নিয়ম করে যোগাসন করলে মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলি সক্রিয় থাকে। এর ফলে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা মনে আসে না। ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ হয়। এতে মন ভালো থাকে। তবে যোগাসন শরীরের অবস্থা, রোগব্যাধি বুঝেই করতে হয়। তাই কী ধরনের যোগাসন আপনার জন্য সঠিক, সেটা যোগাসন প্রশিক্ষক বা চিকিৎসকের থেকে জেনে নেওয়াই ভালো।

৩. দিনে কিছুটা সময় বের করেও বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়দের সঙ্গে গল্প করতে হবে। পুরনো বন্ধুদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করুন। পুরনো দিনের সুখের স্মৃতিগুলো মনে করুন। ছবির অ্যালবামগুলো উল্টে দেখুন। নিজেকে গুটিয়ে ফেললে হতাশা আরও বেশি গ্রাস করে। 

৪. যারা বেশি দুশ্চিন্তা, উদ্বেগে ভোগেন, তাদের ঘুম কম হয়। বারে বারে জেগে ওঠেন। ঘুমাতে গেলে শরীরে অস্বস্তি বোধ হয়। এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করতে হবে। সম্ভব হলে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান। শোয়ার ঘর পরিপাটি, পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘুমানোর সময়ে মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি যাবতীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র দূরে রাখুন। 

৫. মন ভালো করার অন্যতম ভালো উপায় হচ্ছে বই। কোনও কাজে উৎসাহ না পেলে পছন্দের বই পড়ুন। এতে ধৈর্য বাড়বে, দুশ্চিন্তাও দূর হবে।

৬. কিছু দিনের ছুটি নিয়ে কোথাও ঘুরে আসুন। যদি কেউ সঙ্গে না থাকে, তাহলে একাই যান। খুব বেশি দূরে যেতে না পারলে কাছাকাছি কোথাও ঘুরতে যান। সেখানকার ভালো ভালো ছবি তুলুন। স্থানীয় কোনও খাবার খান। 

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু দিনের জন্য সব কাজ থেকে বিরতি নিলে মন ও মস্তিষ্কও বিশ্রাম পায়। তাতে মনের বিষণ্ণতা অনেকটা কেটে যায়।

কেবি/ আই.কে.জে/

বিষন্নতা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250